নিউজপোল ব্যুরো: চোরবাগানকাণ্ডে শোকের ছায়া রাজ্যজুড়ে। পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন যাঁরা তাঁদের সকলের বাড়িতে দেখা করতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ নিহত দম্পতি দীপালি ও দিলীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। বাবা-মাকে হারিয়ে কার্যত অসহায় পৃথ্বিশ। এবার তাঁর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি পৃথ্বিশের ভবিষ্যতের দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।
পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এটা আমার কর্তব্য। ছেলেটার বাবা মা চলে গিয়েছে। আমি বাড়ির লোককে বলেছি, আমার কাছে থাকতে চাইলে ও থাকতে পারে। আমি অভিভাবক হতে পারি। প্রতিভাবান ছেলে।”
সম্প্রতি বি.টেক পড়াশোনা শেষ করেছেন পৃথ্বিশ। বাবা-মাকে একসঙ্গে হারিয়ে শোকের মধ্যে রয়েছেন তিনি। নিহত পরিবারের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন দুর্ঘটনার তদন্ত প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “মানুষের ভুল তো ছিলই। তদন্তকারী দেখবে কারা দোষী। কমিটি গোটাটাই খতিয়ে দেখবে। সকলেই তো মানুষ।” ঘটনা খতিয়ে দেখে দোষীদের চিহ্নিত করার আশ্বাসও দেন তিনি।
উল্লেখ্য, চোরবাগানে দুর্গাপ্রতিমা দেখতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন বরানগরের এই দম্পতি। ভিড়ের মধ্যে হুড়োহুড়ির জেরে তাঁরা পড়ে যান। পরে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁদের মৃত্যু হয়। সেই রাতে বাবা-মায়ের সঙ্গে ছিলেন না তাঁদের একমাত্র ছেলে পৃথ্বিশ।
