নিউজপোল ব্যুরো:২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলিকে ঘিরে জল্পনা কম নয়। বয়সের কারণে তাঁদের ফিটনেস কতটা কার্যকর থাকবে, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। তবে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অকল্যান্ডে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে মাঠের পারফরম্যান্সে তাঁদের ফিল্ডিং, লড়াই করার ক্ষমতা এখনও অনবদ্য।
প্রথমে নজর কাড়েন রোহিত শর্মা। ম্যাচের ২২ তম ওভারে গ্লেন ফিলিপস ও ড্যারিল মিচেলের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বুঝতে এক মুহূর্তও দেরি করেননি তিনি। শর্ট মিডউইকেট থেকে দ্রুত দৌড়ে বল সংগ্রহ করে উইকেটের দিকে ছুড়ে দেন। কেএল রাহুলের হাতে বল পৌঁছাতেই ভেঙে যায় স্টাম্প। রান আউট হয়ে ফিরে যেতে হয় ড্যারিল মিচেলকে। রোহিতের এই তৎপরতা দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন মাঠে উপস্থিত দর্শকরা।
এরপর যেন পাল্টা চমক দেওয়ার দায়িত্ব নেন বিরাট কোহলি। ২৯ তম ওভারে অংশুল কাম্বোজের বলে নাথান স্মিথের ব্যাটের কানায় লেগে বল স্লিপের দিকে যায়। ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এক হাতে সেই কঠিন ক্যাচ ধরে নেন বিরাট। ক্যাচের পর তাঁর উচ্ছ্বাস এবং বিশেষ উদযাপনও নজর কাড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের।
ভারতের বোলিং আক্রমণও এদিন ছিল যথেষ্ট ধারালো। একের পর এক উইকেট হারিয়ে ৪০.২ ওভারেই ১৮৫ রানে শেষ হয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। অর্শদীপ সিং চারটি উইকেট নিয়ে সেরা বোলার হন। অংশুল কাম্বোজ পান দুটি উইকেট।
তবে এই ম্যাচ থেকে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি শুধু বোলারদের সাফল্য নয়, রোহিত ও বিরাটের ফিল্ডিংও। আগামী বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় দলের কম্বিনেশন নিয়ে অনেক হিসাবনিকাশ চলবে। কিন্তু অভিজ্ঞতা, উপস্থিত বুদ্ধি এবং শারীরিক সক্ষমতার যে মিশেল দুই তারকার মধ্যে এখনও রয়েছে, অকল্যান্ডে তারই ঝলক দেখা গেল। বিশ্বকাপের দরজা তাঁদের জন্য খোলা থাকবে কি না, তা নির্বাচকদের সিদ্ধান্ত। তবে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের লড়াইয়ে যে তাঁরা এখনও পিছিয়ে নেই, তা বুঝিয়ে দিলেন দু’জনেই।
