নিউজ পোল ব্যুরো: ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই বাংলাই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। চলছে বাক যুদ্ধ। একের পর এক সব বিস্ফোরক মন্তব্য করছেন শাসক ও বিরোধী দোলের নেতারা। বিশেষ করে রাজনৈতিক মহলের নজরে হয়েছে দুই মেদিনীপুর। এবার কাঁথি সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি তথা কাঁথি পুরসভা পুরপ্রধান সুপ্রকাশ গিরি শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) নিয়ে করেছেন বিস্ফোরক মন্তব্য। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উঠেছে ঝড়।
সুপ্রকাশ গিরি বলেছেন, বিরোধী দলনেতা “শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি থেকে তৃণমূলের জন্য অনেক বেশি কাজ করছেন”। এমন বক্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে চর্চা শুরু হয়েছে! সাম্প্রতিক বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই স্লোগান ও হাতে পোস্টার নিয়ে সভা করেছেন। সেই আবহেই ইফতার পার্টিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী’কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন যুবনেতা সুপ্রকাশ গিরি। পুরপ্রধানের দাবি “শুভেন্দু অধিকারী ভালো কাজ করেছেন। বলবো শুভেন্দু যতদিন এই কাজ চালিয়ে যাবেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে বাংলার মাটি থেকে কেউ সরাতে পারবে না। তৃণমূল নেতারা যা কাজ অর্ধেকের বেশি কাজ তিনি (শুভেন্দু অধিকারী) করে দিচ্ছেন।” সুপ্রকাশ আরাও বলেছেন, “বাংলার মানুষ ভেদাভাতে বিশ্বাস করে না! শুভেন্দু অধিকারী থেকে তো বড়নেতা নরেন্দ্র মোদী, বড় নেতা তো অমিত শাহা! বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে আপকি বার ২০০ পার, হিন্দু কো লাও, হিন্দু কো জেতাও! বাংলা মানুষ ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। বিধায়ক ৭৭ থেকে ৬০ এসে ঠেকেছে। শুভেন্দুবাবু হিসাবটা বলতে পারবে না। একের পর এক বিজেপি বিধায়ক লাফ দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কথা বলছে। হিন্দু হিন্দু বলে চিৎকার করছে, কিন্তু মানুষ নেই! ধর্মে ধর্মে ভেদাভেদ মানুষ মানছে না, যত বলবে ততই তৃণমূল বাড়বে।”
আরও পড়ুনঃ Jadavpur: যাদবপুরে স্নাতকোত্তরের পড়ুয়াকে র্যাগিংয়ের অভিযোগ
এদিন কাঁথি পুরসভা ৪ নং ওয়ার্ড়ে ইফতার পার্টিতে যোগ দেন কাঁথি পুরসভা পুরপ্রধান সুপ্রকাশ গিরি। সেই ইফতার পার্টি থেকেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) কটাক্ষ করেন সুপ্রকাশ। তিনি বলেন, “একটি ধর্মের অনুষ্ঠান। রাজনীতি ঢোকানো উচিত নয়। আমরা আজকে করছি না, সকল ধর্মের মানুষ উৎসবে অংশগ্রহণ করি। কলেজের ছাত্র-জীবন বন্ধুবান্ধবের সাথে বসেই ইফতার পাটি’তে অংশগ্রহণ করতাম ।” সুপ্রকাশ দাবি ” শুভেন্দু তাঁর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যই এমন করেছেন। শুভেন্দু অধিকারীর ইফতারের ছবি রয়েছে। ঈদের ও মহরমের অনুষ্ঠানে যোগদান করেছেন। পাঁচ বছর আগে মুসলিম ভাইদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল না নিজে বলতে পারবে? নিজের স্বার্থকে চরিতার্থ করার জন্য, বাংলার রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্যই এমন করছেন! কয়েক বছর আগেই দিল্লি থেকে হিন্দু জাগরণ নিয়ে এসেছেন! নতুন করে চেহারা পাল্টে হিন্দু হিন্দু বলে চিৎকার করছেন। বাংলার মানুষকে এইভাবে বোকা বানানো যাবেনা।”
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
