S Jaishankar: চাণক্যের পথেই নয়াদিল্লি? তালিবানের সঙ্গে নতুন অধ্যায় ভারত-আফগান সম্পর্কের

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: ভারত-পাক (India Pakistan) সম্পর্ক যখন উত্তপ্ত, তখন এক আশ্চর্য কূটনৈতিক ঘটনা নজরে পড়েছে আন্তর্জাতিক মহলের। প্রথমবারের মতো ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর (S Jaishankar) .ফোনে কথা বললেন আফগানিস্তানের কার্যনির্বাহী বিদেশমন্ত্রী ও তালিবান শীর্ষনেতা মাওলাবি আমির খান মুত্তাকির (Aamir Khan Muttaki) সঙ্গে। এই ঐতিহাসিক আলাপ শুধু দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেনি, বরং কূটনীতির জটিল খেলার আভাসও দিয়েছে।

আরও পড়ুন: Turkey Controversy: তুরস্কের বিতর্কিত ভূমিকায় উত্তাল ভারত, সেলেবি এভিয়েশনের লাইসেন্স বাতিল ঘিরে নতুন প্রশ্নচিহ্ন

সম্প্রতি কাশ্মীরের পহেলগাঁও হামলার (Kashmir Issue) ঘটনায় তালিবান (Taliban) সরকারের তরফে প্রকাশ্য নিন্দা এসেছে, যা তালিবান-মোদী (Taliban-Modi) সরকারের মধ্যকার সম্ভাব্য ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত দেয়। জয়শংকর (S Jaishankar) এক্স-এ বলেন, ‘তালিবান (Taliban) যেভাবে হামলার নিন্দা জানিয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’ একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ তোলেন, পাকিস্তানি (Pakistan)মিডিয়া ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে ভারত-আফগান সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তালিবান সে প্রচেষ্টা নস্যাৎ করেছে বলেও দাবি।

এই ফোনালাপের (S Jaishankar) সময় তালিবান (Taliban) পক্ষ ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করার অনুরোধ জানায়, পাশাপাশি চাবাহার বন্দরের বিষয়েও আলোচনা হয়। চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব বর্তমানে আগের চেয়েও বেশি, বিশেষ করে ভারত-পাক (India Pakistan) সীমান্তে উত্তেজনার জেরে আফগানিস্তান-ভারত বাণিজ্যে যে বাধা সৃষ্টি হয়েছে, তা কাটিয়ে ওঠার জন্য।

তালিবান সরকারের সঙ্গে ভারতের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকলেও, গত সপ্তাহেই নয়াদিল্লির (New Delhi) বিশেষ প্রতিনিধি আনন্দ প্রকাশ কাবুল সফরে গিয়েছিলেন এবং তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধারাবাহিক যোগাযোগ আসলে এক কৌশলী দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত—যেখানে ভারতের লক্ষ্য ইসলামাবাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু তালিবানকে তাদের প্রভাবমুক্ত করে নিজস্ব বলয়ে টেনে আনা।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

তালিবান যদি ভারতের প্রস্তাবের প্রতি সদর্থক সাড়া দেয়, তবে এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। ভারতের বর্তমান পদক্ষেপ যেন চাণক্য নীতির প্রতিফলন! শত্রুর শত্রু হয়ে উঠতে পারে পরম মিত্র।