নিউজ পোল ব্যুরো: ভারত-পাকিস্তানের (India Pakistan Ceasefire) সাম্প্রতিক সংঘর্ষবিরতির পিছনে তার সরকারের ‘নেতৃত্বমূলক ভূমিকা’ ছিল। এমনই দাবিতে বারবার সরব হয়েছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তার মতে, আমেরিকার (America) হস্তক্ষেপেই পরমাণু শক্তিধর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে। তবে ট্রাম্পের (Donald Trump) এই মন্তব্যে কটাক্ষ করে পালটা প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রাক্তন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন। তার স্পষ্ট কথা, “ট্রাম্প সব সময় নিজেকে নায়ক প্রমাণ করতে চান। সব কিছুর কৃতিত্ব নিজের ঘাড়ে তুলে নেওয়ার এই অভ্যাসই তাকে বিশ্বাসযোগ্যতা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।”
আরও পড়ুন: Tamilnadu: হিন্দি নয়, এবার তামিল ভাষায় বাজেট লোগো
৬ মে মাঝরাতে পহেলগাঁও হামলার (Pahalgam Terror Attack) বদলা নিতে পাকিস্তানের ভূখণ্ডে সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটিতে আঘাত হানে ভারতীয় সেনা (Indian Army)। অপারেশন ‘সিঁদুর’ (Operation Sindoor) চালিয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয় জঙ্গিদের গোপন আস্তানা। পালটা জবাব দেওয়ার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয় পাকিস্তান (Pakistan)। তাদের ড্রোন হামলা ঠেকিয়ে দেয় ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এরপরই ইসলামাবাদ (Islamabaad) যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়। দিল্লির (Delhi) তরফে জানানো হয়, সন্ত্রাসে মদত বন্ধ করার লিখিত আশ্বাসের ভিত্তিতেই ১০ মে সংঘর্ষবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অথচ, সেই সময় ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) দাবি করেন, “আমাদের জোরালো আলোচনার ফলেই ভারত ও পাকিস্তান (India Pakistan Ceasefire) শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাজি হয়েছে। আমরা না চাপ দিলে যুদ্ধ থামত না। এটা আমেরিকার (America) বড় জয়।”
এই দাবিকে একেবারে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি (Vikram Misri)। তিনি স্পষ্ট জানান, “এই সংঘর্ষবিরতি হয়েছে শুধুমাত্র ভারত-পাক (India Pakistan Ceasefire) কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই। কোনও তৃতীয় পক্ষের কোনও ভূমিকা ছিল না।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
জন বোল্টনও (John Bolton) বলেন, “ভারতের আত্মরক্ষার অধিকার অখণ্ড। পাকিস্তান (Pakistan) যদি নিজের মাটিতে সন্ত্রাস রুখতে না পারে, তবে তাদের পরিণতি আরও ভয়ঙ্কর হবে। ট্রাম্প (Donald Trump) নিজের ভূমিকা বাড়িয়ে বলার চেষ্টা করেছেন, বাস্তবে তা ছিল না।”
