PM Modi : ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হল প্রধানমন্ত্রী মোদীকে, মোদীর ঝুলিতে ২৫টি আন্তর্জাতিক সম্মাননা

আন্তর্জাতিক দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো : কোন বিদেশী নেতা হিসেবে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর সর্বোচ্চ সম্মান ( Trinidad and Tobago’s highest honour) পেলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ভূষিত করা হয়েছে ‘অর্ডার অফ দ্য রিপাবলিক অফ ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো’ (Order of Republic of Trinidad and Tobago) সম্মানে। এই সম্মান পেয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী বললেন, “১৪০ কোটি ভারতীয়ের পক্ষ থেকে আমি এটি গ্রহণ করছি।” ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর সর্বোচ্চ সম্মান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঝুলিতে এল ২৫টি আন্তর্জাতিক সম্মাননা। যা ভারতের কাছে অত্যন্ত গর্বের।

ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ-বিসেসার পিয়ারকো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে তার পুরো মন্ত্রিসভাসহ স্বাগত জানান। তাঁরা সেই সময়ে ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাক পরেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার প্রদান করেছেন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর রাষ্ট্রপতি ক্রিস্টিন কাঙ্গালু । এই ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রটির জনসংখ্যা মাত্র ১৩ লক্ষ যা গোয়ার চেয়েও কম। তাদের ৪৫ শতাংশ ভারতীয় বংশোদ্ভূত, যাদের বেশিরভাগই বিহার এবং উত্তর প্রদেশের ভোজপুরি-ভাষী জেলা থেকে এসেছেন। ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর জনগণের বেশিরভাগ পূর্বপুরুষ ঔপনিবেশিক ভারত থেকে চুক্তিবদ্ধ শ্রমিক হিসেবে এসে এখানে বসতি স্থাপন করেছিলেন। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের এই দেশে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। আর এই সফরে গিয়েই আপ্লুত হয়েছেন মোদী। মোদীকে স্বাগত জানানোর সময় কমলা প্রসাদ-বিসেসার তাঁর ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গুজরাটি বই ‘আঁখ আ ধান্য চে’ (অর্থাৎ ‘ধন্য এই চোখ’) থেকে লেখা একটি কবিতা উদ্ধৃত করেন। অন্যদিকে কমলা প্রসাদ-বিসেসারকে “বিহারের মেয়ে” বলে সম্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

আরও পড়ুনঃ Bihar Election : বিহারে নির্বাচনের আগে রাহুল গান্ধীর ছবি দেওয়া স্যানিটারি প্যাড বিতরণ করে বিতর্কে জড়াল কংগ্রেস

ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে ভারতীয় সম্প্রদায়ের যাত্রার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী মোদী (PM Modi) বলেন, “তারা তাদের মাটি ছেড়ে এসেছেন কিন্তু তাদের আত্মা নয়। তারা কেবল অভিবাসী ছিলেন না, তারা ছিলেন এক কালজয়ী সভ্যতার দূত।” প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেন, “বিহারের ঐতিহ্য ভারত এবং বিশ্বের গর্ব। রাজ্যটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গণতন্ত্র, রাজনীতি এবং কূটনীতির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্বকে পথ দেখিয়েছে। একবিংশ শতাব্দীতে বিহার থেকে নতুন সুযোগ তৈরি হবে।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT