নিউজ পোল ব্যুরো: একটি ছোট রানওয়ে, ১৭৩ জন যাত্রী, আর একটি স্মার্ট সিদ্ধান্ত—এই তিনে মিলেই মঙ্গলবার পাটনার (Patna) আকাশে ঘটে গেল এক নাটকীয় ঘটনা। ইন্ডিগোর (IndiGo) দিল্লি-পাটনা (Delhi-Patna) ফ্লাইট 6E-2482 অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারাতে বসেছিল। তবে শেষমেশ এক পাইলটের উপস্থিত বুদ্ধি রক্ষা করল শতাধিক প্রাণ এবং ফিরিয়ে আনল ২০০০ সালের ভয়াবহ দুর্ঘটনার স্মৃতি, যেখানে ৬০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: Canada: কানাডায় ভ্যাঙ্কুভার বিমানবন্দরে বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় চাঞ্চল্য, ফ্লাইট কার্যক্রম বন্ধ
ঘটনাটি ঘটে পাটনার (Patna) জয়প্রকাশ নারায়ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, যেখানে বিমানটি (IndiGo) রানওয়ে স্পর্শ করতে গিয়েও হঠাৎ করে উঠে আসে আকাশে। মূলত, পাটনার সীমিত দৈর্ঘ্যের রানওয়ে দীর্ঘদিন ধরেই একটি নিরাপত্তাজনিত হুমকি হিসেবে পরিচিত। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত এই বিমানবন্দরটি আগেও চরম বিপদের মুখোমুখি হয়েছে, বিশেষত ২০০০ সালের ১৭ জুলাই যখন অ্যালায়েন্স এয়ারের CD-7412 দুর্ঘটনায় পড়ে গিয়েছিল গর্দানিবাগ এলাকায়।
মঙ্গলবারের ঘটনার সময়, যাত্রীরা বর্ণনা করেছেন কীভাবে হঠাৎ নিচে নেমে এসে ফের উপরে উঠে যায় বিমানটি (IndiGo)। কিছু মুহূর্ত ছিল রুদ্ধশ্বাস, উত্তেজনায় ভরা। কিন্তু পাইলটের দ্রুত ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তই রক্ষা করল একটি বড় মর্মান্তিক পরিস্থিতি থেকে। ২০০০ সালের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার স্মৃতি আজও শহরবাসীর মনে গভীরভাবে গাঁথা। সেই ঘটনার পর উদ্ধার কার্য ছিল চরম জটিলতায় ভরা — আগুন, ধোঁয়া ও সরু গলিতে আটকে থাকা মানুষের আর্তনাদ আজও ভয় জাগায়। বর্তমান ঘটনায় হতাহতের খবর না থাকলেও প্রশ্ন থেকেই যায়। এত বছর পরেও পাটনা বিমানবন্দরের (Patna Airport) পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর হয়নি কেন? দেশের অন্যতম ব্যস্ত আঞ্চলিক বিমানবন্দর হিসেবে নিরাপত্তা ও প্রস্তুতির অভাব কি এখনও আমাদের তাড়িয়ে বেড়াবে?
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
