Chhattisgarh: লাল আগুন নিভছে ধীরে ধীরে, সুকমায় গুলির লড়াইয়ে খতম শীর্ষ মাও নেতা, আহত তিন জওয়ান

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) জঙ্গলে ফের বড়সড় সাফল্য নিরাপত্তাবাহিনীর ঝুলিতে। ‘লাল আতঙ্ক’ দমনে একের পর এক সাফল্যে ক্রমেই ধস নামছে মাওবাদী সংগঠনে। এবার সুকমা-দান্তেওয়ারা সীমান্তে যৌথ অভিযানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে তীব্র গুলির লড়াইয়ে নিহত হল এক মাও নেতা। এই সংঘর্ষে আহত হয়েছেন তিন নিরাপত্তাকর্মীও।

আরও পড়ুন: Malegaon Blast Case: ১৭ বছর পর মুক্তি, মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় প্রজ্ঞা ঠাকুর সহ ৭ জন বেকসুর খালাস

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালেই বিশেষ অভিযান শুরু করে ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF), ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (DRG) ও সিআরপিএফ-এর (CRPF) সদস্যরা। সুকমা ও দান্তেওয়ারা জেলার সীমান্তবর্তী জঙ্গলে বেশ কয়েকজন শীর্ষ মাও নেতা ঘাঁটি গেড়েছে বলে খবর ছিল গোয়েন্দাদের হাতে। সেই মতো গোটা এলাকা ঘিরে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।

ঘেরাটোপে আটকে পড়ে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পাল্টা জবাব দেয় যৌথ বাহিনীও। দু’পক্ষের গুলির লড়াই চলে দীর্ঘক্ষণ। শেষপর্যন্ত এক মাও নেতার মৃত্যু হয় ঘটনাস্থলেই। তবে ওই এলাকায় আগে থেকেই বিস্ফোরক পেতে রেখেছিল মাওবাদীরা। একটি আইইডি ফাঁদে পা দিয়েই আহত হন তিন জওয়ান। বস্তার রেঞ্জের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, নিহত মাও নেতার পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আহত জওয়ানদের কাছের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদের সম্পূর্ণ অবসান ঘটানোর লক্ষ্য স্থির করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই লক্ষ্যপূরণে ছত্তিশগড় (Chhattisgarh), ঝাড়খণ্ড (Jharkhand), তেলেঙ্গানার (Telengana) মতো রাজ্যে চলছে লাগাতার মাওবিরোধী অভিযান। বিশেষ করে কারেগুট্টা পাহাড়ি অঞ্চলে চলছে বড় মাপের তল্লাশি। ইতিমধ্যেই সেখান থেকে খতম করা হয়েছে ৩১ জনেরও বেশি মাওবাদী। মাও নেতা বাসবরাজু ও সুধাকরের মৃত্যুর পর এবার এই অভিযান আরও জোরদার হচ্ছে। ২০ হাজারের বেশি আধাসেনা নামানো হয়েছে মাও ঘাঁটি ধ্বংসে। ‘লাল বাহিনী’র ভিত কাঁপাতে জঙ্গলের অন্ধকারে আলো জ্বালিয়ে এগিয়ে চলেছে ভারতের নিরাপত্তাবাহিনী।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT