RG Kar Case: ভালোবাসার পরিণাম! বছর ঘুরলেও সংসার বাঁধা হলো না অভয়ার প্রেমিকের

কলকাতা

নিউজ পোল ব্যুরো: ঘটনার পর গোটা এক বছর পার। এখনো শোকে সংসার বাঁধা হলো না নির্যাতিতার প্রেমিকের (Abhaya’s boyfriend) । পরিবারের সঙ্গে বিচারের দাবিতে প্রহর গুনছে সেও। মনের মানুষকে হারিয়ে আজও শোকস্বব্ধ তাঁর বন্ধু। গত বছর ৯ আগস্ট কর্মরত অবস্থায় আরজিকর মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে (RG Kar Medical Hospital) তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগ ওঠে। যেই ঘটনায় তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল গোটা রাজ্য তথা দেশ। তারপর থেকে নির্যাতিতার প্রেমিক কোনো রকম ভাবে প্রতিক্রিয়া না জানালেও আজও সংসার বাঁধলেন না তিনি।

রাত দখল, দিনের পর দিন বিচারের দাবিতে হয়েছে রাস্তা দখলও। নির্যাতিতার বাবা মায়ের সাথে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতৃত্বরা পথে নেমেছে। উঠেছে একটাই শ্লোগান “অভয়াকান্ডের বিচার চাই”। আইন-আদালত বিচার ব্যবস্থা। এমন কি নারী নিরাপত্তার বিষয়েও বহু প্রশ্নের আবহে আবারও ফিরছে সেই স্মৃতি! প্রত্যেক মুহূর্তে কড়া নাড়ছে আর জি কর! কিন্তু যে মানুষটিকে মন দিয়েছিলেন অভয়া। বেঁচে থাকলে হয়তো তাঁকে নিয়েই সংসার গড়ার স্বপ্ন দেখতেন ওই চিকিৎসক! এখন কেমন আছেন তিনি? যোগাযোগ রয়েছে অভয়ার বাবা-মায়ের সঙ্গে? ঘটনার পর বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ডানা বাঁধছে এই প্রশ্নগুলোই।

আরও পড়ুনঃ Rabindranath Tagore: ‘জাগরিত হোক সেই দেশ, যেখানে রবীন্দ্রনাথের ভাষা, বাংলা ভাষা, সম্মান পায়’ বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন মমতা

পেশায় একজন চিকিৎসক নির্যাতিতার প্রেমিকও। দুজনে একে অপরের ভালো বন্ধু ছিলেন। দিনের শেষে নিজেদের জমানো শত গল্প কথা শেয়ার করতেন একের অপরের সাথে। তবে আরজিকর কান্ডের (RG Kar Case) পর সব যে বদলে গেল। থেমে গেল দুজনের কথোপকথন। না বলা অনেক কথা বলা এবং শোনার মাঝে দিন কাঠাচ্ছেন তাঁর প্রেমিক (Abhaya’s boyfriend)। সকলের মত তারও একটাই দাবি, বিচার পাক তাঁর বান্ধবী। শাস্তি পাক দোষীরা।
স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ তাঁর প্রেমিক এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, “গত ৭-৮ মাস অবসাদে ভুগেছি। চিকিৎসা চলেছে এখনো। চেষ্টা করছি একটু ঠিক থাকার!”। নির্যাতিতার পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখার প্রসঙ্গে বলেন, “হ্যাঁ ফোন করি কাকু কাকিমাকে। কথা হয় মাঝে মধ্যে।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

যখন চারিদিকে একটাই আওয়াজ , অভয়ার বিচার। তখন তাঁর প্রেমিক কেমন আছেন এই খবর না নিয়ে বিচারের কথা লিখুন। প্রতিবাদের আওয়াজ তুলুন বলে জানান তিনি। সমাজমাধ্যম জুড়ে তাঁর কথা বহুবার উঠে এসেছে। সকলের মধ্যে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে যে, বান্ধবীর ভয়াবহ হত্যাকান্ডের পর পরিবারের পাশে আছে কি না সে। কিংবা নিজের দায়িত্ব পালনে বহাল রেখেছেন কি না নিজেকে। চর্চিত হয়েছে এই প্রশ্নগুলো। তবে ভালোবাসা যে বড় অসহায়। বুকে একগুচ্ছ প্রেম নিয়ে আজও প্রেমিকার সাথে হওয়া অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিচারের আশায় বুক বাঁধছেন তিনি (Abhaya’s boyfriend) । আপাতত নিজের নতুন জীবন শুরু করবার ক্ষেত্রে কোনো ভাবনা নেই তার বলে জানান।