Uttarkashi cloudburst: লাগাতার বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তরকাশী, গত তিন দিনে ৫৬০ জনের বেশি মানুষকে উদ্ধার, এখনও নিখোঁজ বহু উদ্ধার

দেশ

নিউজ পোল বাংলা: চলতি সপ্তাহের শুরুতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের বিধ্বস্ত উত্তরকাশীর ধরলি ও হারসিল। হড়পা বানে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে গোটা গ্রাম। এখনও নিখোঁজ অনেকেই। চলছে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ। গত তিন দিনে ৫৬০ জনেরও বেশি মানুষকে হারসিল ও মাতলিতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেই জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর মোট ১১২ জনকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে দেরাদুনের জলি গ্রান্ট বিমানবন্দরে বিমানে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী, ভারতীয় বিমান বাহিনী(IAF), এসডিআরএফ(SDRF), এনডিআরএফ(NDRF), আইটিবিপি(ITBP), বিআরও(BRO) এবং প্রশাসন যৌথভাবে “অপারেশন ধরলি”-এর অধীনে অভিযান পরিচালনা করছে। মাতলিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় হেলিকপ্টার যাত্রা অব্যাহত রয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী হারসিল সেক্টরে যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকাঠামো পুনঃস্থাপন করেছে। বর্তমানে অই এলাকায় আটকে পড়া সাধারণ নাগরিকরা স্যাটেলাইট-ভিত্তিক কলের মাধ্যমে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। অতিরিক্ত যোগাযোগ লাইন স্থাপনের কাজও চলছে। শুক্রবার পর্যন্ত ২২টি বিমান পরিচালিত হয়েছে, যার মধ্যে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে খাবার, ওষুধ এবং উদ্ধারকর্মী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ৩০জনকে হারসিল থেকে মাতলিতে বিমানে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উত্তরাখণ্ড সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (UCADA) এখন পর্যন্ত ৩৯টি বিমান পরিবহন পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে মাতল থেকে হারসিলের ফ্লাইট, ৩৩ জন উদ্ধারকর্মী, ৩টি স্নিফার ডগ এবং খাদ্য সরবরাহ পক্রিয়া। কর্মীসহ ৬৭ জনকে হারসিল থেকে মাতলিতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। অতিরিক্ত বিমান নেলংয়ে খাবার পরিবহন করেছে।

আরও পড়ুন: Rabindranath Tagore: ‘জাগরিত হোক সেই দেশ, যেখানে রবীন্দ্রনাথের ভাষা, বাংলা ভাষা, সম্মান পায়’ বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন মমতা

তাছাড়াও, মাতলি থেকে হারসিলে চারটি উত্তরাখণ্ড সিভিল এভিয়েশন হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। দেরাদুনের জলি গ্রান্ট বিমানবন্দর থেকে একটি MI-17 হেলিকপ্টার তেহরিতে খারাপ আবহাওয়ার কারণে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে ধরালিতে ধ্বংসাবশেষ অপসারণে সাহায্য করার জন্য চিনুক এবং Mi-17 হেলিকপ্টার ব্যবহার করে উন্নত সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তার কারণে, উদ্ধারকারী দলগুলি বিমানই ব্যবহার করা হচ্ছে। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি উত্তরকাশীর জেলা সদর দপ্তর থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেছেন সরকার সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এলাকাটিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছে। তবে শুক্রবার ফের বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই টানা বৃষ্টির কারণে প্রচেষ্টা প্রভাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole