RG Kar Nabanna Abhijan: নবান্ন অভিযান নিয়ে হাইকোর্টের সবুজ সঙ্কেত, তবে আছে শর্তাবলী

কলকাতা জেলা রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Case) বর্ষপূর্তিতে সুবিচারের দাবিতে নবান্ন অভিযানের (RG Kar Nabanna Abhijan) ডাক দিয়েছিল নির্যাতিতার পরিবার। আন্দোলনে পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি (BJP)। এই প্রেক্ষিতে আন্দোলন আটকাতে হাইকোর্টে (Kolkata High Court) জনস্বার্থ মামলা করেন হাওড়ার এক ব্যবসায়ী। তবে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রতিবাদ আটকানো নয় বরং তাকে আইনত নিয়ন্ত্রণে রাখাই সরকারের কাজ।

আরও পড়ুন: TMC: সংসদে বাঙালিদের উপর নিগ্রহ ও বিহারের SIR ইস্যুতে চড়া সুরে তৃণমূল, নেতৃত্বে অভিষেক

কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও নাগরিক সংবিধান অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকার রাখেন। সরকারের দায়িত্ব, প্রয়োজনে বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে সেই অধিকার রক্ষা করা। তবে প্রতিবাদ হিংসাত্মক হলে তার দায় আয়োজকদেরই নিতে হবে।সরকারের দাবি ছিল, গত বছরের নবান্ন অভিযান (RG Kar Nabanna Abhijan) ঘিরে ব্যাপক হিংসা ছড়িয়েছিল। পুলিশের বহু কর্মী আহত হন, সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস হয়। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে প্রতিবাদ নিষিদ্ধ করার আর্জি জানানো হয়। কিন্তু আদালত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়, সংবিধানের ৫১ A(i) অনুযায়ী, সাধারণের সম্পত্তি রক্ষা এবং হিংসা এড়ানো প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।

তবে প্রতিবাদের মূল সুর রয়েছে আরজি কর কাণ্ড (RG Kar Nabanna Abhijan) ঘিরে। গত বছর ৯ অগাস্ট এক তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হন সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়। পরে আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে তিনি পান যাবজ্জীবন সাজা। যদিও নির্যাতিতার পরিবার ও চিকিৎসক মহলের দাবি, এই ঘটনায় সঞ্জয়ের পাশাপাশি আরও অনেকেই জড়িত ছিল। সেই অভিযোগে সন্তুষ্ট নয় তারা সিবিআই-এর তদন্তেও। এই পরিস্থিতিতে, প্রশ্ন উঠছে, তদন্ত কতটা স্বচ্ছ? নাকি রাজনৈতিক চাপেই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে? আদালতের রায়ে প্রতিবাদের পথ খোলা, তবে হিংসার রাস্তা বন্ধ। এখন দেখার, ২০২৪-এর ঘটনাকে সামনে রেখে ২০২৫-এর প্রতিবাদ কতটা শান্তিপূর্ণ, কতটা প্রভাবশালী হয়।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole