নিউজ পোল ব্যুরো:অভয়ার পরিবারের ন্যায়বিচারের লড়াই আজ শুধু আদালত বা প্রশাসনের বিরুদ্ধে নয়, পুরো সমাজের উদাসীনতা ও শাসক দলের পরিকল্পিত বঞ্চনার বিরুদ্ধে (Victim’s family isolated)। এক বছর আগে অভয়ার মৃত্যু দেশজুড়ে ক্ষোভ জাগালেও, আজ তার পরিবার যেন এক অদৃশ্য কারাগারে বন্দি—যেখানে চারদিকের দেওয়াল গড়ে তুলেছে তৃণমূল শাসকদল আর তাদের প্রভাবিত সমাজব্যবস্থা।
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/08/09/raksha-bandhan-muslim-teen-from-mumbai-ties-rakhi-with-transplanted-hand-to-brother-of-hindu-donor/
দোষীদের শাস্তির দাবি তোলার অপরাধে তৃণমূল তাদের সমাজচ্যুত (Victim’s family isolated) করেছে। যে প্রতিবেশীরা একসময় পাশে দাঁড়াতেন, আজ তারা চোখ ফিরিয়ে নেন; বাজারে গেলে মানুষ মুখ ঘুরিয়ে নেয়; পুরোনো দরজাগুলো বন্ধ হয়ে গেছে শিকল দিয়ে। শুধু রাজনৈতিক রোষ নয়, তৃণমূলের ভয় দেখানো আর প্রভাবের ফলে পুরো সমাজই আজ এই পরিবারকে একা ফেলে দিয়েছে।
অভয়ার বাবা ক্ষোভে বলেন, “তৃণমূল শুধু আমাদের মেয়েকে কেড়ে নেয়নি, আমাদের সমাজ থেকেও ফেলে দিয়েছে। যারা একসময় আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল, তাদের আজ ভয় দেখানো হচ্ছে। নবান্নে গিয়ে বিচার চাইলে আমাদের বাধা দেওয়া হয়। কিন্তু আমরা থামব না।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
অভয়ার মা তীব্র কণ্ঠে বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের ভয় পান কারণ আমরা সত্য নিয়ে লড়ছি। আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, ভয় দেখানো হচ্ছে। যদি সিবিআই প্রমাণ করতে পারে সঞ্জয় রায় একাই দোষী, আমরা মাথা নত করব। কিন্তু গোটা দেশ কি এই গল্প বিশ্বাস করবে?”
শাসক দলের নেতারা যদিও অভিযোগ অস্বীকার করছেন, বাস্তব বলছে ভিন্ন কথা—এটি আর কেবল রাজনৈতিক প্রতিশোধ নয়, এটি সমাজকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খোলা মানুষকে দমিয়ে দেওয়ার এক কৌশল।
যে নবান্ন একসময় ছিল আশা ও স্বপ্নের প্রতীক, আজ তা হয়ে উঠেছে ন্যায়ের কণ্ঠরোধের প্রাচীর। অভয়ার পরিবার জানে—যতদিন তারা বেঁচে আছেন, ততদিন লড়াই চলবে। কারণ ন্যায়ের বিলম্ব মানে ন্যায়ের অস্বীকার, আর সমাজের নীরবতা মানে অন্যায়ের সহায়তা।
