নিউজ পোল ব্যুরো: চলতি ডুরান্ড কাপের ঠাসা সূচীর মধ্যেই চলছে কলকাতা লিগের ম্যাচ। শনিবার ডুরান্ড কাপে ডায়মন্ড হারবার এফসিকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে মোহনবাগান (Mohun Bagan)। সেটাই ছিল ডুরান্ড কাপের গ্রুপ লিগে মোহনবাগানের শেষ ম্যাচ। সেই ম্যাচ জিতে ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে জোসে মোলিনার দল। তবে এবার ডুরান্ডের মাঝে কলকাতা লিগ খেলতে ‘অনীহা’ সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের।
আগামী ১৭ অগাস্ট ডুরান্ড কাপের বড় ম্যাচ। কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গল। তার আগে থেকেই অবশ্য ডুরান্ডের মাঝে ১৩ অগাস্ট বুধবার কলকাতা লিগে মেসারার্সের বিরুদ্ধে খেলবে না বলে জানায় মোহনবাগান। তবে মোহনবাগান খেলবে না জানিয়ে দিলেও ম্যাচ পিছনো সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিয়েছে আইএফএ। সব রকম আয়োজন করে ম্যাচ অন রাখছে তারা। আইএফএ -এর সূচী অনুযায়ী প্রথমে মেসারার্স বনাম মোহনবাগানের ম্যাচ দেওয়া হয়েছিল মোহনবাগান ক্লাবের মাঠে। এরপরই ৬ অগাস্ট মোহনবাগান আইএফএ -কে চিঠি দিয়েছিল মাঠ বদল করার কথা বলে। তারপরই চিঠি দিয়ে আইএফএ -কে মোহনবাগান কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা খেলতে পারবে না।
মোহনবাগানের কলকাতা লিগ থেকে প্রায় ১৬ জন ফুটবলার ডুরান্ডে রেজিস্ট্রার রয়েছে। পর্যাপ্ত ফুটবলার না থাকায় খেলবে না বলে আইএফএ -কে চিঠি দিয়ে জানায় মোহনবাগান। পরক্ষণেই আইএফএ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় ম্যাচ পিছনো সম্ভব নয়। কলকাতা লিগের সূচি তৈরি হয়েছে ডুরান্ড কমিটির সঙ্গে আলোচনা করেই। ইস্টবেঙ্গল ও ডায়মন্ড হারবারও একই ভাবে খেলছে কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড। সোমবার নৈহাটির বঙ্কিমাঞ্জলি স্টেডিয়ামে ম্যাচের আয়োজন হবে।
আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত জানান, “১৩ তারিখের ম্যাচ অন থাকছে। পরবর্তী ম্যাচগুলি কবে হচ্ছে, সেই দেখে আমরা সূচী করব। ডুরান্ড সেমিফাইনাল, ফাইনালে বাংলার দলগুলি খেললে আমরা অবশ্যই সেই বুঝে সূচী করব। কোয়ার্টার ফাইনালে ডুরান্ড এবং লিগের ম্যাচের মাঝখানে তিন দিন সময় থাকছে। তাই এই ম্যাচ আমরা বন্ধ করছি না।” বলা বাহুল্য, এই বছর লিগের সমস্ত খেলা আইএফএ পুজোর আগে শেষ করে দিতে চাইছে। ফলে কোনও মতে ম্যাচ পিছনোর কথা ভাবছে না আইএফএ।
এই বিষয়ে মোহনবাগান (Mohun Bagan) সচিব সৃঞ্জয় বোস বলেন, “আমরা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলাম খেলতে পারব না। কারণ যারা লিগ খেলছে তাদের মধ্যে ৫০% এরও বেশি খেলোয়াড় ডুরান্ডে রয়েছে। গত বছরের সঙ্গে এই বছরের কোনও সম্পর্ক নেই। গত বছর তো ওনারা এখনও চ্যাম্পিয়ন রানার্স ঘোষণা করতে পারেনি।”
