নিউজ পোল ব্যুরো: মোহনবাগানের ষষ্ঠ বিদেশি হিসেবে সই করেছেন ব্রাজিলীয় তারকা রবসন রবিনহো (Robson Robinho)। তিনি কয়েক মাস আগেই খেলেছেন ব্রাজিলের সাওপাওলো লিগে নেইমার দ্য সিলভার বিরুদ্ধে। তার আগে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন ক্লাব বসুন্ধরা কিংসের হয়ে খেলেছেন।।সোমবার সকালেই শহরে চলে এসেছিলেন ব্রাজিলিয়ান রবসন রবিনহো।
আরও পড়ুন : Robin Uthappa Virat Kohli: এই কারণে বিরাট কোহলির সঙ্গে সম্পর্কে ফাটলের ধরে রবিন উথাপ্পা
ব্রাজিলের সাও পাওলো লিগে নেইমার দ্য সিলভার বিরুদ্ধে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে রবসনের। মঙ্গলবার প্রথম মোহনবাগান ক্লাব তাঁবুতে পা রাখলেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিষয় নিয়ে কথা বললেন। রবসন বলেন, “মোহনবাগানের হয়ে নিজের সেরাটা দিতে চাই। প্রতিটা ম্যাচে নিজেকে উজাড় করে দিতে চাই।

আইএসএল, এএফসি, সুপার কাপ খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। কোন পজিশনে খেলব, সেটা ঠিক করবেন কোচ। এটা কোচের সিদ্ধান্ত। তিনি আমাকে যে ভাবে খেলাবেন, সে ভাবেই খেলব। আমি ডুরান্ড কাপের সব ম্যাচ দেখেছি। ডার্বিও দেখেছি। অবশ্যই কলকাতা ডার্বি খেলতে চাই।” পাশাপাশি তিনি বলেন, “আমি মোহনবাগানকে নির্বাচন করিনি, মোহনবাগান আমাকে নির্বাচন করেছে।” নেইমারের বিরুদ্ধে খেলা রবসন নিজে অবশ্য ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে বেশি পছন্দ করেন। এদিকে ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুঁজো রবসনের প্রাক্তন কোচ।
বসুন্ধরা কিংস দলে অস্কারের নেতৃত্বেই খেলতেন তিনি। রবসন বলেন, “ডুরান্ড কাপ দেখেছি। আমার প্রাক্তন কোচ ইস্টবেঙ্গলে ছিল, কিন্তু আমার ফোকাস ছিল পুরোপুরি মোহনবাগানের উপর। আশা করছি দলের সঙ্গে, আমার সতীর্থদের সঙ্গে এই বড় ক্লাবের জার্সি গায়ে গোটা মরশুম ভালো কাটবে।”সবশেষে বাংলা ভাষা ও বাঙালি খাবার নিয়ে কথা বললেন রবসন। তিনি বলেন, “বাংলার খাবার নিয়ে অনেক শুনেছি। অনেক মিষ্টি বেশ ভালো লাগে। তবে মশালাদার খাবার পছন্দ নয়, একদমই খেতে পারি না। মশলা ছাড়া বিরিয়ানিও খেয়েছি।

“বাংলাদেশ ও ভারতের ফুটবল পরিবেশের পার্থক্য নিয়ে রবসন বলেন, “বাংলাদেশের চেয়ে ভারতের মাঠের গুনমান অনেক ভালো। দুই দেশের ফুটবল পরিকাঠামোতে পার্থক্য রয়েছে। তবে স্থানীয় ফুটবলারদের গুণমানও এখানে তুলনামূলক ভাবে ভালো।” শেষ মার্চ মাসে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। মোহনবাগানে যেখানে বাকিদের ফিটনেস সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল, সেখানে রবসনকে নিয়ে চিন্তায় সমর্থকরা। এই বিষয়ে তাঁর বক্তব্য, “১৪-১৫ দিন ট্রেনিং করেছি। আশা করছি দলকে সাহায্য করার জন্য পুরো ফিট আছি। বাকিটা কোচের হাতে।”
