শাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO)-এর সাম্প্রতিক সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তেলের দামে বড় ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছেন। বিশ্ববাজারে চাপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্তকে কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষত ভারত, চীন ও SCO সদস্য দেশগুলির জন্য এই ছাড় কার্যকর হবে বলে রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Bangladeshi infiltration: অবৈধ অনুপ্রবেশের আতঙ্ক রাজ্যে
তথ্য অনুযায়ী, ভারতের জন্য রাশিয়ার Urals ক্রুড তেলের দাম এখন ব্রেন্টের তুলনায় ব্যারেল প্রতি প্রায় ৩ থেকে ৪ ডলার কম। আগে এই ছাড় ছিল ১ থেকে ২.৫ ডলার পর্যন্ত। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক এবং ইউরোপীয় বাজারে চাপের কারণে রাশিয়া দক্ষিণ এশিয়া ও এশিয়ার অন্যান্য বাজারে নিজেদের সরবরাহ আরও মজবুত করতে চাইছে।
এছাড়াও, সম্মেলনে পুতিন জানান, রাশিয়া ভারত ও অন্যান্য অংশীদার দেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি চুক্তি করতে প্রস্তুত। ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন,
“ভারত-রাশিয়া শক্তি সম্পর্ক এখন কেবল বাণিজ্য নয়, কৌশলগত সহযোগিতার প্রতীক।”
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তে তেলের আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ভারসাম্য রক্ষা হবে এবং দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর জ্বালানি সরবরাহ আরও স্থিতিশীল থাকবে। অন্যদিকে, পশ্চিমা দেশগুলো এই ছাড়কে ভূ-রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছে, যা রাশিয়ার আন্তর্জাতিক প্রভাবকে আরও বাড়াতে পারে।
অর্থাৎ SCO সম্মেলনে রাশিয়ার এই তেলের দামে ছাড় শুধু ভারত নয়, পুরো এশিয়া অঞ্চলের জ্বালানি বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যদিও পশ্চিমী দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে। যেটা ইতিমধ্যেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথায় স্পষ্ট হয়ে দেখা দিচ্ছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মত ফুলবি কিংবা একটা ভুল গেম শেষ কিংবা হিংসা করনা- চেষ্টা কর তোমারও হবে– এই ধরনের চটুল কিন্তু সাবধানী কথা বেশিরভাগ লরি এবং ট্রাকের পিছন দিকে লেখা থাকে যে গাড়িতে তার জ্বালানি নিয়ে পৃথিবী জুড়ে বরাবরই অনেক এনার্জি ব্যয় হয়েছে। এবার সেই গাড়ির জ্বালানির প্রাথমিক উৎস অপরিশোধিত তেলের আমদানিকে ঘিরে আমেরিকার সাথে ভারতের মন কষাকষি এক উচ্চ স্তরে উঠেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৫০% শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে ঘিরে এক দীর্ঘ বাকযুদ্ধের আবহ তৈরি হয়েছে। ট্রাম্পের অনড় মনোভাবের ভারতের কড়া জবাবে একদিকে যেমন ট্রাম্প দেখেশুনে ভীষণ রেগে গিয়েছে অন্যদিকে তেমনি রাশিয়া আর ভারতের বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরো গাঢ় হয়েছে ।
