Water Harvesting: আর্সেনিক-ফ্লুরাইড দূষণ রুখতে মডেল গ্রাম, রাজ্যে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ প্রকল্প

কলকাতা

নিউজ পোল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ এলাকায় আর্সেনিক(Arsenic) ও ফ্লুরাইড(Fluoride) দূষণের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরেই বড় উদ্বেগের বিষয়। নিরাপদ পানীয় জল ও জল অপচয় রোধ করতে এবার রাজ্য জুড়ে তৈরি হচ্ছে বৃষ্টির জল সংরক্ষণের মডেল গ্রাম( Water Harvesting)। শুধু পানীয় জল নয়, এর মাধ্যমে জল সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে গ্রামীণ সমাজে।

আরও পড়ুন: Weather Forecast : আবহাওয়ার সতর্কতা: রাজ্যে বাড়তে পারে আর্দ্রতা, সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা

এই উদ্যোগের বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়াটার ফর পিপল ইন্ডিয়া(Water For People)। তাদের সহায়তায় ইতিমধ্যেই বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা(North-South 24 parganas), হাওড়া(Howrah) ও ঝাড়গ্রামে(Jhargram) শুরু হয়েছে একাধিক রেন ওয়াটার হারভেস্টিং (Water Harvesting) প্রকল্প। সংস্থার রাজ্য প্রধান সুজাতা ত্রিপাঠী জানিয়েছেন, “আমরা গত ১৫ বছর ধরে এই প্রকল্পে কাজ করছি। বীরভূমে ১৭টি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৯টি রেন ওয়াটার হারভেস্টিং মডেল তৈরি হয়েছে। হাওড়া-সহ অন্যান্য জেলায়ও কাজ এগোচ্ছে।”

তার মতে, বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করলে আর্সেনিক(Arsenic)-ফ্লুরাইড(Fluoride) দূষিত জলের সমস্যা যেমন দূর হবে, তেমনি গ্রামীণ স্তরে অযথা জল অপচয়ও কমানো যাবে ( Water Harvesting)। পাশাপাশি বিভিন্ন গ্রামে স্যানিটেশন, শৌচাগারের সঠিক ব্যবহার, মাসিককালীন স্বাস্থ্যবিধি ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় বিশেষ প্রচার চালানো হচ্ছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

এই কর্মসূচি জল জীবন মিশন, স্বচ্ছ ভারত অভিযান, নির্মল বাংলা ও আনন্দধারা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরও বিস্তৃত হচ্ছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সহায়তায় সামাজিক অভ্যাস পরিবর্তন আনারও চেষ্টা চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু আর্সেনিক(Arsenic)বা ফ্লুরাইড(Fluoride)দূষণ রোধেই নয়, বরং আগামী দিনে জল সংকট মোকাবিলায়ও কার্যকরী ভূমিকা নেবে।

রাজ্যে এই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করতে একে জল জীবন মিশন, স্বচ্ছ ভারত অভিযান, নির্মল বাংলা ও আনন্দধারা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, স্থানীয় স্বনির্ভর গোষ্ঠী (SHG)-দেরও এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে যাতে সামাজিক অভ্যাসে পরিবর্তন আনা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন উদ্যোগ শুধু আর্সেনিক বা ফ্লুরাইড দূষণ রোধেই নয়, বরং আগামী দিনে বাড়তে থাকা জল সংকট মোকাবিলায়ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। ফলে রাজ্যের বহু গ্রামীণ পরিবার নিরাপদ পানীয় জল পাবে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি স্থায়ী সমাধানের দিশা খুঁজে পাবে।