Pakistan: পাকিস্তানের নূর খান ঘাঁটিতে মার্কিন ত্রাণবাহী বিমান, উঠছে নানা প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক

নিউজ পোল ব্যুরো: চারদিকে জলের রাজত্ব। ভয়াবহ বন্যায় কার্যত ডুবে গিয়েছে গোটা পাকিস্তান (Pakistan)। হাজারো মানুষ গৃহহীন, শস্য নষ্ট, পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে। এই ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এল যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই সহায়তা শুধুই মানবিকতার খাতিরে, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনো কূটনৈতিক ছক, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

আরও পড়ুন: US Open Novak Djokovic: ২৫ তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের অপেক্ষা আরও বাড়ল জকোভিচের, অবসর নিয়ে জল্পনা এড়ালেন

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, মার্কিন ত্রাণবাহী বিমান অবতরণ করেছে সেই বিতর্কিত নূর খান এয়ারবেসে যে ঘাঁটি ছিল ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor)-এর প্রধান লক্ষ্যস্থল। ব্রহ্মস মিসাইলের আঘাতে গুঁড়িয়ে যাওয়া এই বিমানঘাঁটি সম্প্রতি মেরামত করেছে পাক সেনা। আর সেই ঘাঁটিতেই নামছে আমেরিকার ত্রাণবাহী বিমান!

ইসলামাবাদে (Islamabad) অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের (Pakistan) অনুরোধে প্রথম দফায় রাওয়ালপিন্ডির নূর খান ঘাঁটিতে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মোট ছয়টি মার্কিন বিমান থেকে পাঠানো হবে তাঁবু, ওয়াটার পিউরিফায়ার, জেনারেটর ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী। কিন্তু এখানেই উঠছে প্রশ্ন, ত্রাণসামগ্রী পাঠানোর অজুহাতে কি পাকিস্তানে মার্কিন সামরিক প্রযুক্তি প্রবেশ করছে? বিশেষ করে এই সময়, যখন ভারত-চীন সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে, পাকিস্তানকে (Pakistan) পাশে পেতে কি নতুন চাল খেলছে আমেরিকা? প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ইতিমধ্যেই পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, এমনকি শুল্কচুক্তিও চূড়ান্ত হয়েছে।

নূর খান ঘাঁটির কৌশলগত গুরুত্ব অসীম। ইসলামাবাদ থেকে মাত্র ২৫ কিমি দূরে অবস্থিত এই ঘাঁটি পাকিস্তানের বায়ুসেনার অন্যতম প্রধান শক্তিকেন্দ্র। অপারেশন সিঁদুরে ধ্বংসপ্রাপ্ত এই বেস কিছুদিন আগেই আবার সচল হয়েছে। আর সেখানেই মার্কিন বিমান অবতরণ মানেই কূটনৈতিক অঙ্ক নতুন করে হিসেব করার সময় এসেছে। এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole