নিউজ পোল ব্যুরো: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trumpk সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সাম্প্রতিক বৈঠক রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এই বৈঠককে শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে মনে না-করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। বৈঠকের প্রাক্কালে ট্রাম্পের মুখে পাকিস্তানের দুই শীর্ষ নেতার উদ্দেশে যে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা শোনা গেল তাতে কূটনৈতিক ব্যাকরণে ভিন্ন বার্তার ইঙ্গিত স্পষ্ট।
আরও পড়ুন: Partha Chatterjee: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভাগ্য নির্ধারণ আজ, পুজোর আগে মিলতে পারে মুক্তি?
ট্রাম্প বলেন, “একজন দুর্দান্ত নেতা আসছেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সেনাপ্রধান, যিনি নিজেও অসাধারণ মানুষ।” যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক চরিত্রের সঙ্গে এমন সরাসরি প্রশংসা বিরল, বিশেষ করে এমন এক সময় যখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তান এক নতুন পররাষ্ট্রনীতির দিশা খুঁজছে।
সম্প্রতি সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে পাকিস্তান, যার আওতায় উভয় দেশ একে অপরের নিরাপত্তা হুমকিতে পারস্পরিক প্রতিক্রিয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় ইজরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে মুসলিম দেশগুলির ঐক্য গড়ার ডাক দিয়েছেন শাহবাজ। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ফাঁকে আটটি মুসলিম দেশের সঙ্গে বৈঠক এবং তারপরই ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার সময়কাল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সৌদি-আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে পাকিস্তান এবার সরাসরি ওয়াশিংটনের সঙ্গে কৌশলগত সখ্য গড়ার চেষ্টা করছে। বালোচিস্তানে প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার ও প্রতিরক্ষা চুক্তির টোপ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা স্বার্থকে আকৃষ্ট করার পেছনে ইসলামাবাদের কূটনৈতিক পরিকল্পনা পরিষ্কার।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
ভারতের আঞ্চলিক প্রভাব মোকাবিলায় মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করতে চায় পাকিস্তান। ‘ইসলামিক ন্যাটো’র ভাবনাও উঠে এসেছে আলোচনায়। আর এই সমীকরণে ট্রাম্পের মতো প্রভাবশালী মার্কিন রাজনীতিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা পাকিস্তানের নতুন ভূ-রাজনৈতিক কৌশলেরই প্রতিফলন।
