শ্যামল নন্দীঃ কথায় বলে ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। এই প্রবাদবাক্য মেনে নিয়ে কিংবা উপস্থিত বুদ্ধির জোরে উত্তরবঙ্গের আটকে পড়া পর্যটকরা উদ্ধার পেল। জলদাপাড়া টুরিস্ট লজে আটকে থাকা পর্যটকদের শেষপর্যন্ত ভরসা দাঁড়াল জেসিবি!
রবিবারের প্রবল জলস্রোতে হলং নদীর উপর কাঠের সেতু ভেঙ্গে গিয়েছিল। ফলে জলদাপাড়াতে আসা বেশ কয়েকজন পর্যটক আটকে গিয়েছিল। তাদের মধ্যে অনেকেরই ফেরার টিকিট করা। আর তাছাড়া এই দুর্যোগের মধ্যে উত্তরবঙ্গ থেকে পর্যটকরা দ্রুত বিপদসংকুল এলাকার বাইরে যেতে পারলে সকলের মুখেই ফিরতে পারে হাসি। পেতে পারেন স্বস্তি । কিন্তু উপায় কোথায় ?
প্রথমে চেষ্টা করা হল কুনকি হাতির সওয়ারি করে নদী পারাপারের। সেই অনুযায়ী কিছু পর্যটককে কুনকি হাতি করে গতকাল বিকেলে নদী পারাপার করানো হয়। তারপরেও রয়ে গেলেন বেশ কিছু পর্যটক। সেই বাকি যেকজন পর্যটক ছিলেন তাদেরকে আজ জেসিবি করে হলং নদী পারাপার করানো হয়। জলদাপাড়া টুরিস্ট লজে আটকে ছিলেন বেশ কিছু পর্যটক। সেই আটকে থাকা পর্যটকদের জেসিবি করে নদী পারাপার করে মাদারিহাটে সুরক্ষিত অবস্থায় নিয়ে আসা হল।
[আরও পড়ুন] http://উত্তরবঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যয়, স্থগিত রুক্মিণী মৈত্রর ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’-র টিজার লঞ্চ
এভাবেই একটা বড় সমস্যার সমাধান হল বুদ্ধির জোরে। বর্তমানে হলং নদীর জলস্তর অনেকটা কমেছে । আর ইতিমধ্যেই বাকি সমস্ত পর্যটককে নিয়ে আসা হয়েছে মাদারিহাটে । সকলেই রয়েছেন সুরক্ষিত অবস্থায় ।
বর্তমানে আর কোনো পর্যটক নেই জলদাপাড়া টুরিস্ট লজে।
উত্তরবঙ্গের ভয়াবহ জলস্ফীতির মধ্যে সারা রাজ্যের নজর যখন উত্তর বঙ্গের বন্যা পরিস্থিতির দিকে। ঠিক সেই সময়ই এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে একটা সমাধানের রাস্তা বের করে দিলেন এলাকার মানুষরাই। স্থানীয় নারায়ন সাহার কথামত, এই ভাবেও খুঁজে নেওয়া যায় দুর্যোগের মোকাবিলার উপায়।
এভাবেই একটা বড় সমস্যার সমাধান হল বুদ্ধির জোরে। বর্তমানে হলং নদীর জলস্তর যদিও অনেকটা কমেছে । আর ইতিমধ্যেই বাকি সমস্ত পর্যটককে নিয়ে আসা হয়েছে মাদারিহাটে । সকলেই রয়েছেন সুরক্ষিত অবস্থায় ।
বর্তমানে আর কোনো পর্যটক নেই জলদাপাড়া টুরিস্ট লজে।
