SFI letter to PM Modi:প্যালেস্টাইনের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান, প্রধানমন্ত্রী মোদীকে চিঠি এসএফআই-এর!

রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো:গাজায় চলতে থাকা ভয়াবহ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে ভারতের পক্ষ থেকে সরাসরি মানবিক সহায়তা পাঠানোর দাবি জানাল ছাত্র সংগঠন এসএফআই। সংগঠনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য এবং সভাপতি আদর্শ এম. সাজি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (SFI letter to PM Modi) উদ্দেশ্য করে এক চিঠি দিয়েছেন। সেই চিঠিতে তাঁরা আবেদন করেছেন— “এখনই সময়, প্যালেস্টাইনের অসহায় মানুষের পাশে মানবতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার।”

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/10/05/north-bengal-landslide-death-toll-24-cm-visiting-pm-support/

চিঠিতে এসএফআই নেতৃত্ব লিখেছেন, “প্যালেস্টাইনে যা ঘটছে, তা কেবল যুদ্ধ নয়—এ এক ভয়াবহ মানবিক সংকট। নির্বিচারে বোমাবর্ষণ, নিরীহ মানুষের মৃত্যু, শিশুরা অনাহারে মরছে— অথচ বিশ্বের বড় শক্তিগুলি নীরব দর্শক হয়ে রয়েছে।”

এসএফআই-এর অভিযোগ, “ইজরায়েলি সেনারা এখন শুধু বোমাবর্ষণই করছে না, খাবার, ওষুধ ও ত্রাণবাহী জাহাজ ‘ফ্লোটিলা’-গুলোকেও আটকে দিচ্ছে। ফলে প্যালেস্টাইনের মানুষ আরও গভীর সংকটে পড়ছে।”

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে— প্রধানমন্ত্রী যদি নির্দেশ দেন, তবে দেশের সর্বত্র এসএফআই-এর কয়েক লক্ষ কর্মী ত্রাণ সংগ্রহ অভিযানে নামবেন, যাতে ভারত সরকার প্যালেস্টাইনে খাদ্য, ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠাতে পারে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

চিঠিতে (SFI letter to PM Modi) তাঁরা আরও লিখেছেন, “আজ মানবতার প্রশ্নে কোনও রাজনৈতিক বিভাজন থাকা উচিত নয়। ভারত যদি এই মুহূর্তে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেয়, তা শুধু দক্ষিণ এশিয়াই নয়, গোটা বিশ্বের কাছে এক নৈতিক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে।”

এসএফআই স্মরণ করিয়েছে, ভারতের সঙ্গে প্যালেস্টাইনের সম্পর্ক বহু পুরনো ও বন্ধুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতা-উত্তর সময় থেকেই ভারত প্যালেস্টাইনের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে থেকেছে। সংগঠনের বক্তব্য— “এই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আজ ভারত সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে মানবতার স্বার্থে।”

এদিকে, গাজায় ইজরায়েলি হামলা ও ত্রাণবাহী ‘ফ্লোটিলা’ জাহাজবহরে হামলার প্রতিবাদে শনিবার কলকাতার রাস্তায় নেমে আসে বাম দলগুলি। রবীন্দ্রসদন থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বিশাল প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে সিপিএম, সিপিআই, ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি ও সিপিআই (এমএল) লিবারেশনসহ একাধিক বাম সংগঠন।

মিছিলে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, “ত্রাণবাহী জাহাজে হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের চূড়ান্ত লঙ্ঘন। রাষ্ট্রসংঘের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করা উচিত ছিল। খাদ্য ও ওষুধ নিয়ে যাওয়া কোনও জাহাজ আটকানো মানে মানবতার বিরুদ্ধে অবস্থান।”

বাম নেতাদের বক্তব্য, “এই যুদ্ধ এখন আর শুধু প্যালেস্টাইনের নয়—এটি মানবতার লড়াই। ভারতের মতো বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের উচিত নীরব না থেকে সক্রিয়ভাবে শান্তি ও সহমর্মিতার বার্তা দেওয়া।”