Bihar Assembly elections 2025:বিহার বিধানসভা ভোট: বিজেপি–জেডিইউ ১০১টি আসনে লড়বে,চিরাগের জন্য বরাদ্দ ২৯!

রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো:বিহার বিধানসভা ভোটের আগে এনডিএ শিবিরের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে (Bihar Assembly elections 2025)। রাজ্যের ২৪৩টি বিধানসভা আসনের ভাগাভাগি প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জানিয়েছেন, বিজেপি এবং মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জনতা দল (ইউনাইটেড) দুই দলই লড়বে ১০১টি করে আসনে।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/10/12/west-bengal-left-intellectuals-paribartan-to-bikalpa/

চিরাগ পাসওয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি (রাম বিলাস) পেয়েছে ২৯টি আসন। এছাড়া, উপেন্দ্র কুশওহারের রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা এবং জিতন রাম মাঞ্জির হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চা (HAM) — এই দুটি ছোট সহযোগী দলকে দেওয়া হয়েছে ৬টি করে আসন।

ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “বিহারে এনডিএ ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটে নামছে। উন্নয়ন ও স্থিতিশীল নেতৃত্বই এই নির্বাচনের মূল বার্তা।”

এদিকে, বিহার বিজেপির প্রদেশ সভাপতি দিলীপ জয়সওয়াল ইতিমধ্যেই জানিয়েছিলেন, এনডিএ জোটে এবার ‘কেউ বড় ভাই নয়’। অর্থাৎ ভোটে লড়বে সমান মর্যাদায়; কোনও দলের উপর প্রাধান্য দেওয়া হবে না। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন নীতীশ কুমারের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্কের দিকেও।

বিহারে (Bihar Assembly elections 2025) যেকোনও নির্বাচনে নীতীশ কুমারের সঙ্গে বিজেপি জোট বাঁধলে আগে বরাবর তাকে ‘বড় ভাই’র মর্যাদা দেওয়া হতো। তবে এবার কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাতে কোনও ছাড় দিচ্ছে না। বিজেপি জানাচ্ছে, নীতীশের হাতেই সরকার স্থিতিশীল থাকবে, তাই তাকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা চলছে। অথচ রাজ্য সভাপতি সমান আসন বরাদ্দের কথা জানিয়ে নতুন সমীকরণ রচনা করেছেন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

এই পরিস্থিতিকে পুঁজি করে ময়দানে নেমেছে আরজেডি। দলের মুখপাত্র মৃত্যুঞ্জয় তিওয়ারি মন্তব্য করেছেন, “বিজেপি ও জেডিইউয়ের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়ে গেছে। আসলে বার্তা দেওয়া হচ্ছে ভোটে জয়ী হলেও মুখ্যমন্ত্রী পদ নীতীশ কুমারের জন্য নেই। এবার ভরাডুবি হবে এনডিএ জোটের, সরকার গড়বে মহাজোট।”

এখনো পর্যন্ত প্রকাশিত আসন সমঝোতা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, এনডিএ জোটের মধ্যে সমতা বজায় রাখা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন বরাদ্দের এই সমীকরণ ভোটের ফলাফলের উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। আরজেডি ও মহাজোটের সক্রিয় প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করলে বোঝা যাচ্ছে, নির্বাচনী লড়াই এবার আরও তীব্র হতে চলেছে।

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এনডিএ জোটের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, ছোট সহযোগী দলগুলোর ভূমিকা এবং বিজেপি–জেডিইউ–আরজেডি মহাজোটের অবস্থান—সব মিলিয়ে ভোটের ফলাফলের আগে উত্তেজনার মাত্রা বাড়িয়ে তুলছে। ভোটের দিন পর্যন্ত এই সমীকরণই রাজনীতির মূল আখ্যান হয়ে থাকবে।