Dumdum Murder:নাগেরবাজারে স্ত্রীকে খুন করে পলাতক স্বামী

breakingnews অপরাধ শহর

নিউজ পোল ব্যুরোঃ শুক্রবার ভোররাতে স্ত্রীকে খুন (Dumdum Murder)করে চম্পট দিল স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে দমদম নাগেরবাজার থানার ছাতাকল অঞ্চলে। ভয়াবহ এই ঘটনা হয়েছে দমদম নাগেরবাজার থানার ছাতাকল এলাকায়।
অভিযোগ, এদিন ভোর রাতে অমিত বোস নামে এক ব্যক্তি তার স্ত্রী বিউটি বোসকে(30) শ্বাসরোধ করে খুন করে চম্পট দেয়। এই পুরো ঘটনাটা প্রত্যক্ষ করেন তাদের পুত্র সন্তান। এরপরেই সে তার মামাকে ফোন করে খবর দেয়। সেই খবর পেয়ে ছুটে আসেন বিউটির পরিবারের লোকজনেরা। তারা নাগেরবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। মৃত মহিলার পরিবারের দাবি, বছর ১১ আগে অমিত বোসের সাথে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিবাহ হয় বিউটির। প্রথমে অমিত নিরাপত্তা রক্ষীর কাজ করলেও। পরবর্তী সময় সে কোন কাজ করতো না। বিউটি পেশাগতভাবে বিউটিশিয়ানের কাজ করতো। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি দেখা দেয়।

[আরও পড়ুন]  http://দুই বিপরীত চরিত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু ।
শুরু হয় সন্দেহ আর অবিশ্বাসের টানাপড়েন। অশান্তি হত প্রায়ই। একসময় অশান্তির জেরে ছাড়াছাড়িও হয়ে যায় দুজনের মধ্যে। আলাদা থাকত। তাও আবার একই বাড়িতে। এরপরেই স্বামী ছক কষে খুনের। আর তার পরিণতিতে এই খুন বলে প্রাথমিক তদন্তের মুখে পুলিশের সন্দেহ। সেই প্লান অনুযায়ী, স্বামী অমিত বৃহস্পতিবার রাতে সন্তানকে জানান যে রাতে তার মা একসাথে ঘুমাবে। সেই প্লানের ফলেই সন্তানের সামনেই স্ত্রী বিউটিকে খুন করে স্বামী। পুলিশ সন্তানের প্রাথমিক বয়ান নিয়েছে বলে জানা গেছে। রাতে ছেলে প্রত্যক্ষ করে গোটা ঘটনা। এরপরেই সে তার মামাকে খবর দেয় তারপরে তারা দমদমে ছুটে আসে মধ্যমগ্রাম থেকে। নাগেরবাজার (Dumdum Murder)  থানায় অভিযোগ দায়ের পরিবারের।
বাবা আমার মাকে মেরে ফেলেছে। চোখের সামনে এই ভয়াবহ ঘটনা দেখলেও (Dumdum Murder)ছোট বলে ঠিক বুঝতে পারেনি। রাতে একসাথে সবাই ঘুমিয়ে পড়ার পরে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায় খাটের কাঁপুনিতে। জেগে উঠে দেখে বাবা রয়েছে কিন্তু চোখে পড়ে না। আবার কিছুক্ষন পরে দেখে মা বিছানায় শুয়ে আছে। কিন্তু সাড়া পাওয়া যায়না। সন্তানের প্রশ্নের জবাবে বাবাই কথা বলতে থাকে। এর মধ্যেই অমিত বোস মায়ের জিনিসপত্র নিতে থাকে। তারপরে ভোরের দিকে চম্পট দেয়। মায়ের কোন সাড়া না পেয়ে বাচ্চা খবর দেয় মামা তাপস হালদারকে। এই বয়ানও তাপস বাবুর মুখ থেকেই শোনা। নবছরের সন্তান, ক্লাস ফোরের ছাত্র। মৃতার মামি বনানি মণ্ডল ঘটনার পরে ফোন পেয়ে ছুটে এসেছেন। তিনিও যেটুকু জেনেছেন তাই বিবরণ দিলেন।
পুলিশ ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আরজিকর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত পলাতক স্বামী ( Husband abscond)অমিতের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে নাগেরবাজার থানার পুলিশ।