নিউজ পোল ব্যুরো:ভোটের কয়েক মাস আগে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল শিবিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। দলীয় তরফে এখনও কোনও কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা না হলেও জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল নিজেই সাঁইথিয়ার প্রার্থী (Anubrata Mondal Saihtia candidate) হিসেবে লীলাবতি সাহা-র নাম ঘোষণা করেছেন।
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/10/19/amit-shah-illegal-immigration-bengal-politics/
বিজয়া সম্মেলনীতে অনুব্রত মণ্ডল বলেন,-“ছাব্বিশের ভোট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোট। প্রার্থী যেই হোক চিন্তা করবেন না, লীলাবতি সাহা মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী। যদি লীলাবতি না জিতেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হবেন না।”
এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। অনুব্রতের (Anubrata Mondal Saihtia candidate) আগ্রাসী বক্তব্য তৃণমূল শিবিরের ভেতরের উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। যদিও দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার একসঙ্গে চলার বার্তা দিচ্ছে, তবু অনুব্রতের ঘোষণার ফলে দলের অভ্যন্তরে নতুন ধরণের কূটনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
পাল্টা খোঁচা দিতে ছাড়েনি বিজেপি। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মন্তব্য করেছেন, “এবার দেখা যাক কাজল শেখ কী করে। লীলাবতির লীলা কাজল কতদিন সহ্য করতে পারেন, তা দেখতে হবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, কাজল শেখ এবং অনুব্রত মণ্ডলের মধ্যে পূর্বের সংঘাত এখনও সমাধান হয়নি। এর ফলে দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি চরমে পৌঁছেছে।
কয়েকদিন আগে নানুর ব্লকে বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন কাজল শেখ। তিনি জানান, এবারের ভোটে নানুর কেন্দ্র থেকে প্রায় ১,১৮,০০০ ভোটের লিড সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখনো নানুর কেন্দ্র থেকে কোনো প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি।
অনুব্রত মণ্ডল তার বক্তব্যে আরও বলেন,-“কে মঞ্চে থাকল, কে থাকল না সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমরা দলের সবাইকে নিজের দলের কর্মী মনে করি।”
রাজনৈতিক মহলে এই পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনুব্রতের মুখে সাঁইথিয়ার প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ায় এখন এই বিষয়টি রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে চর্চার প্রধান কেন্দ্র। ভোটের আগে এই ধরনের ঘোষণার ফলে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে উদ্দীপনা বাড়ছে।