Amit Shah illegal immigration:‘অনুপ্রবেশ’ রুখতে ‘ব্যর্থ’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক? না, অমিত শাহের যুক্তিতে রাজ্যের কোর্টেই বল!

রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো:‘অনুপ্রবেশ’ নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক তরজা। ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনী অভিযানের মূল উদ্দেশ্য যে আদতে অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দেওয়া, তা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah illegal immigration)। রবিবার সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে শাহ বলেন, “একজন অনুপ্রবেশকারী কি ঠিক করবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন?”

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/10/19/dilip-ghosh-blames-tmc-for-raju-bista-attack-fear-of-defeat-in-bengal/

এরপরই বিরোধীরা তোপ দাগে, সীমান্তরক্ষার দায়িত্বে থাকা বিএসএফ তো শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে, তাহলে ‘ব্যর্থতা’ কার?

এই প্রশ্নের জবাবে শাহের (Amit Shah illegal immigration) ব্যাখ্যা, “বাংলা, কাশ্মীর, পাঞ্জাবের সীমান্ত যাঁরা দেখেছেন তাঁরা জানেন, সেখানে সীমান্ত কোনও শহুরে রাস্তার মতো সোজা নয়। খরস্রোতা নদী, ঘন জঙ্গল ও পাহাড়ে ঘেরা সীমান্তে সর্বত্র কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব নয়, চব্বিশ ঘণ্টা নজরদারিও সম্ভব নয়।”

তবে এখানেই থামেননি শাহ। রাজ্যের প্রশাসনের দিকেই আঙুল তুলে তাঁর কুশলী মন্তব্য, “কোনও অনুপ্রবেশকারী সীমান্ত লাগোয়া গ্রামে ঢুকলে স্থানীয় প্রশাসন বা থানা জানতে পারবে না— তা কখনও হয় না।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মত, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের মূল ইস্যু হিসেবেই ‘অনুপ্রবেশ’-কে সামনে আনতে চাইছে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী ও বঙ্গ-বিজেপির অন্যান্য নেতারা এসআইআর (Special Intensive Revision)-এর পক্ষে সওয়াল করে জানাচ্ছেন, “ভোটার তালিকায় একজনও বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা ভোটার থাকতে দেওয়া হবে না।”

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও সম্প্রতি রাজ্যে এসে ‘ঘুসপেটিয়া’ প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন একাধিকবার। তাঁর সুরে সুর মিলিয়ে শাহ বলেন, “এসআইআর করে অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দেওয়াই আমাদের দলের কর্মসূচি।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

তবে তাঁর এই মন্তব্যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার প্রশ্ন তুলেছেন, “নির্বাচন কমিশনকে ভোটার তালিকা সংশোধনের দায়িত্ব দিয়েছে সংবিধান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যে স্পষ্ট— সংবিধানের ঊর্ধ্বে কে?”

রাজনীতির ময়দানে এখন তাই প্রশ্ন একটাই—অমিত শাহের ‘সীমান্ততত্ত্ব’ কি দায় ঝেড়ে ফেলার কৌশল, না কি নতুন নির্বাচনী কৌশলের ইঙ্গিত?