Bangladesh Yunus : দখলদার ইউনূস মন্ত্রিসভা বেআইনি

আন্তর্জাতিক

নিউজ পোল ব্যুরোঃ লন্ডনের ফ্রন্টলাইন ক্লাবে বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি-বিডি) নিয়ে বিস্তর সমালোচনা ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ মহলে । আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ও ইংল্যান্ড-ওয়েলসের সিনিয়র কোর্টের সলিসিটর সায়েদ জয়নাল আবেদিন এই ট্রাইব্যুনালকে “ক্যাঙ্গারু কোর্ট” ও “রাজনৈতিক নিপীড়নের অস্ত্র” বলে অভিহিত করেছেন। আবেদিন সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও বিচারিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর গবেষণামূলক আইনি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। লন্ডন থেকে আজিজুল অম্বিয়ার একটি রিপোর্ট অনুসারে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের (YunusCabinet) নেতৃত্বাধীন প্রশাসন সংবিধান ও আন্তর্জাতিক আইন উভয়ের মৌলিক নীতিমালা লঙ্ঘন করছে এবং বিচারব্যবস্থাকে ক্ষমতার রাজনীতির যন্ত্রে পরিণত করেছে ।
[আরও পড়ুন]  http://বেজিংয়ে রবীন্দ্র-অভিষেক, ভারত–চিন সাংস্কৃতিক বন্ধনের নতুন অধ্যায়
প্রতিবেদন অনুসারে, শেখ হাসিনার মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে দেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাই ড. ইউনূসের বর্তমান সরকারকে (YunusCabinet) ‘দখলদার প্রশাসন’বা de facto regime হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের নভেম্বরে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনকে অতীতমুখীভাবে সম্প্রসারণ করা একটি সাংবিধানিক লঙ্ঘন। জয়নাল আবেদিনের প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, এই ট্রাইব্যুনালে রাজনৈতিকভাবে নিয়োজিত প্রসিকিউটরদের মাধ্যমে একপাক্ষিক তদন্ত ও শুনানির প্রক্রিয়ায় অভিযুক্তদের ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে প্রায় চার লক্ষাধিক মানুষ বিনা বিচারে আটক রয়েছেন। যেটা আন্তর্জাতিক আইনে “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ” হিসেবে গণ্য হতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে আবেদিন বলেছেন, “ড. ইউনূসের প্রশাসনের অধীনে পরিচালিত তথাকথিত আদালত কোনো বৈধ বিচারিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি রাজনৈতিক প্রতিশোধের একটি কাঠামো।” তবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদন বা এই অভিযোগ বিষয়ে এখনও কোন আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।