নিউজ পোল ব্যুরোঃ মধ্যমগ্রাম ট্রলি হত্যাকাণ্ড ভুলে যাওয়ার নয় (Madhyamgram Trolly Murder)। সেই মা-মেয়ের যৌথ উদ্যোগে পিসিকে হত্যা করে ট্রলিতে করে কলকাতা বাবুঘাটে গঙ্গায় ফেলে দেওয়ার আগেই নাটকীয়ভাবে ধরা পড়ে যাওয়ার বিচারের রায় বের হল সোমবার। সোমবার বারাসাত আদালতের বিচারে মা ও মেয়ে অর্থাৎ আরতি ঘোষ ও ফাল্গুনী ঘোষকে সুমিতা ঘোষকে খুনের সাজা হিসেব যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হল। এছাড়াও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করার জন্য ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
[আরও পড়ুন] http://বিহারে খুন জখমের রাজনীতি চলছেই
এই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোরের দিকে মধ্যমগ্রামের বাড়ি থেকে প্রথমে ভ্যানে করে চৌমাথা আর তারপরে ভাড়া করা ট্যাক্সিতে কলকাতা বাবুঘাটে নিয়ে গিয়ে গঙ্গায় ফেলে দেওয়ার ছক ছিল মা ও মেয়ে। কিন্তু অতিরিক্ত ওজনের জন্য বাধা হয় সেই চেষ্টায়। সেই ভোরেই প্রশ্নের মুখে পড়ে ধরা পড়ে যায় এই হত্যা। শুধু তাই নয়, আগের দিন দুজনে মিলে খুনের পরে পিসির ব্যাংক থেকে এটিএম থেকে টাকা তুলে গয়নাও কেনে কুখ্যাত খুনি মা ও মেয়ে।
সেই শিহরণ জাগানো খুনের পরে নিম্ন আদালতে সোমবার বারাসাত আদালত দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন (Madhyamgram Trolly Murder)। সম্পত্তির লোভে ঘটানো এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করে বিচারের প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা দিয়ে বিচারক এই রায় দিলেন। কীভাবে মৃতদেহ ট্রলিতে ঢোকানোর জন্য পিসির পা কেটে ফেলা হয়। কীভাবে দুজনে মিলে মধ্যমগ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসা পিসির সম্পত্তির লোভ এই খুনের মোটিভ হিসেবে সামনে আসে। হত্যাকাণ্ডের বিচারে সেই প্রসঙ্গও উঠে আসে। ভ্যানচালক থেকে ট্যাক্সি চালক- সকলেই সাক্ষ্য দিয়েছেন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের। শুক্রবারই বারাসাত সপ্তম জেলাও দায়রা আদালতে বিচারক প্রজ্ঞা গার্গী ভট্টাচার্য হোসেন এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
সরকারি কৌঁসুলি বিভাস চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সশ্রম কারাদণ্ডের পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের কারাবাস (Madhyamgram Trolly Murder)শুরু হবে।
