নিউজ পোল ব্যুরো: যাত্রীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষা শেষ হতে চলেছে। বিমানের টিকিট বাতিল বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি আর দিতে হবে না বলে প্রস্তাব দিয়েছে অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা (DGCA)। ডিজিসিএ (DGCA) ইতিমধ্যেই একটি খসড়া নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে, যা যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা এবং বিমানের টিকিট বাতিল প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও সহজ করার দিকে বড় ধাপ।
আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: SIR ইস্যুতে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, “আটকালেই রাষ্ট্রপতি শাসন অনিবার্য”
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, যাত্রীরা টিকিট কাটার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিনামূল্যে বাতিল বা সংশোধন করতে পারবেন। এই সময়সীমার মধ্যে যাত্রীদের কোনও অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না। তবে যদি এই ৪৮ ঘণ্টার পর বাতিল বা পরিবর্তন করতে হয়, তখন বিমান সংস্থা নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য হবে। পাশাপাশি, যদি যাত্রী কোনও বিকল্প বিমানে স্থানান্তরিত হন এবং সেই বিমানের ভাড়া বেশি হয়, তবে শুধুমাত্র ভাড়ার পার্থক্যই যাত্রীদের দিতে হবে।
ডিজিসিএ-এর (DGCA) খসড়া নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, যাত্রী যদি ট্র্যাভেল এজেন্ট বা অনলাইন বুকিং পোর্টালের মাধ্যমে টিকিট কাটেন, তবুও রিফান্ডের দায়ভার বিমান সংস্থার ওপরই থাকবে। কারণ, এজেন্টরা শুধুমাত্র বিমান সংস্থার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। এছাড়া বিমান সংস্থাগুলোকে রিফান্ড প্রক্রিয়া ২১ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে বিমানের টিকিট বাতিলের (Ticket Cancellation) ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ অনেকবার ডিজিসিএ-র কাছে উঠেছে। যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা, দু’পক্ষের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং প্রক্রিয়াটিকে আরও স্বচ্ছ করার উদ্দেশ্যেই এই নতুন নিয়ম প্রস্তাব করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই খসড়া নির্দেশিকা কার্যকর হলে যাত্রীদের আর অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে না এবং বিমান সংস্থার দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা আরও স্পষ্ট হবে। এর ফলে যাত্রাপথ আরও সুবিধাজনক ও ন্যায্য হবে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানযাত্রাকে আরও বন্ধুত্বপূর্ণ ও যাত্রীবান্ধব করে তুলবে।
নতুন এই নিয়ম চালু হলে বিমানভ্রমণ পরিকল্পনা করা যাত্রীদের জন্য সত্যিই সুখবর। স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বৃদ্ধির পাশাপাশি যাত্রীরা আর কোনও অপ্রত্যাশিত ফি নিয়ে চিন্তিত হবেন না। ডিজিসিএ-এর প্রস্তাবিত এই পরিবর্তন দেশের বিমানসেবার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
