Amit Shah: দিল্লি গাড়িবোমা কাণ্ডে অমিত শাহের কড়া বার্তা, “দোষীদের খুঁজে বের করুন, কেউ ছাড় পাবে না”

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: দিল্লির (Delhi) বুকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। ঘটনার তদন্তভার ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (Amit Shah) নির্দেশে এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই টানা একের পর এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তার বাসভবনে আয়োজিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব, আইবি ডিরেক্টর, এনআইএ-র ডিজি, দিল্লি পুলিশ কমিশনারসহ জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের শীর্ষ কর্তারা (ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন)। বৈঠকে শাহ স্পষ্ট বার্তা দেন,“এই নৃশংস ঘটনার নেপথ্যে যারা রয়েছে, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রত্যেককে খুঁজে বের করুন, দেশের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম আপস চলবে না।”

আরও পড়ুন: Pakistan: নির্লজ্জ পাকিস্তান! ইসলামাবাদে রক্তাক্ত হামলার দায় ভারতকে দোষারোপ শাহবাজ সরকারের

সূত্রের খবর, প্রাথমিক তদন্তে একাধিক রাজ্যের সঙ্গে এই বিস্ফোরণের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। সেই কারণেই তদন্তভার এনআইএ-কে দেওয়া হয়েছে। বিকেলে দ্বিতীয় দফার বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকরা। সেখানে শাহকে জানানো হয় তদন্তের সর্বশেষ অগ্রগতি। বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে শাহ (Amit Shah) লেখেন, “দিল্লির গাড়িবোমা বিস্ফোরণ নিয়ে রিভিউ মিটিংয়ের সভাপতিত্ব করলাম। আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছি যাতে ঘটনার নেপথ্যে থাকা প্রতিটি দোষীকে খুঁজে বের করা হয়। এবার তারা আমাদের তদন্ত সংস্থার ক্রোধের সম্মুখীন হবে।”

যদিও সরকারিভাবে এখনও এই বিস্ফোরণকে জঙ্গি হামলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি, তথাপি শাহের কড়া মন্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে কেন্দ্র কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ-এর নাম উঠে আসছে এই ঘটনায়। তবে এখনো পর্যন্ত কোনও সংগঠন দায় স্বীকার করেনি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, বিস্ফোরণের আগে সুনহেরি মসজিদের পার্কিং লটে ঘাতক গাড়িটি প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে ছিল।

তদন্তে জানা গিয়েছে, গাড়িটির মালিকানা একাধিকবার হাতবদল হলেও, রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে কোনও আনুষ্ঠানিক পরিবর্তন হয়নি। প্রথমে ২০১৪ সালে সালমন নামে এক ব্যক্তি গাড়িটি কিনেছিলেন, পরে সেটি গিয়েছে দেবেন্দ্র, সোনু, এবং শেষমেশ তারিকের কাছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় ফরিদাবাদের এক গাড়ি বিক্রেতা নাদিম খানের ভূমিকা সন্দেহজনক বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই তাকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ, এবং তার জেরাতেই উঠে এসেছে তারিকের নাম।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole