নিউজ পোল ব্যুরো:কেন্দ্রের ব্যর্থতা ঢাকতে বিরোধীদের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছেন মোদী, পাল্টা তোপ দিলেন মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun Kharge response)।অসমে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্রের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার কামরূপে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের অসমে থাকতে দিতে চাইছে এবং সেই কারণেই তারা এসআইআর (স্বাধীনতা ও ইন্টিগ্রেশন রেজিস্ট্রেশন)-এর বিরোধিতা করছে।
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/12/21/mamata-shuvendu-political-clash-kolkata/
মোদী সভায় বলেন, “কংগ্রেস দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করছে। তারা চায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা অসমে প্রবেশ করে থাকুক। কংগ্রেস অসমের সাধারণ মানুষের কথা ভাবছে না, তারা শুধু নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির চিন্তাতেই ব্যস্ত।” তিনি আরও জানান, যে কোনো জনস্বার্থমূলক পদক্ষেপে কংগ্রেস বাধা দিলেও, বিজেপি অসমের মানুষের স্বার্থে কাজ চালিয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun Kharge response) পাল্টা আক্রমণ শানান। তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ব্যর্থতা ঢাকতে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছেন। কেন্দ্রে এবং অসম—দু’জায়গাতেই বিজেপি সরকার রয়েছে। তবুও যদি অনুপ্রবেশ রোধে ব্যর্থ হন, তার দায় কি কংগ্রেসের?”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
খাড়গে বলেন, “কংগ্রেস কখনও সন্ত্রাসবাদী বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন করে না। প্রকৃত সমস্যার সমাধান না করে শুধুমাত্র রাজনৈতিক দোষারোপ করা হচ্ছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “অনুপ্রবেশের মতো সংবেদনশীল বিষয় রাজনৈতিক রঙিন মন্তব্যের জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়। জনগণ জানে কে দায়ী।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ইস্যু নতুন করে অসমের রাজনৈতিক আবহকে উত্তপ্ত করেছে। তারা বলছেন, এই ধরনের বিতর্কের মধ্যেই স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে এবং নির্বাচনের আগে এই ইস্যু রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
এদিকে, সাধারণ মানুষও এই ইস্যুতে বিভ্রান্ত। অনেকে মনে করছেন, সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে রাজনৈতিক তর্কের কারণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া পিছিয়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যার মূল সমাধান না করে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ করা রাজ্য ও দেশের স্বার্থের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে।
