Pakistan: পাকিস্তানে লস্কর-হামাস ‘গোপন বৈঠক’! ভারতে কি বড়সড় নাশকতার ছক? তুঙ্গে নিরাপত্তা সতর্কতা

আন্তর্জাতিক

নিউজ পোল ব্যুরো: দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের (Pakistan) ভূখণ্ড আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে পরিচিত। জঙ্গি সংগঠনগুলিকে মদত দেওয়া, প্রশিক্ষণ শিবির গড়ে তুলতে চোখ বন্ধ করে অনুমতি দেওয়া এ সব অভিযোগের জেরে একসময় ‘ধূসর তালিকা’-তেও ঠাঁই হয়েছিল ইসলামাবাদের (Islamabaad)। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মুখে কঠোর অবস্থানের কথা বললেও বাস্তবে পাকিস্তান (Pakistan) যে জঙ্গিদের লালন-পালন করে, ফের তারই স্পষ্ট প্রমাণ মিলল লস্কর-এ-তইবা এবং হামাস নেতাদের সাম্প্রতিক বৈঠককে কেন্দ্র করে।

আরও পড়ুন: Protest: ১৫ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবি! আশাকর্মীদের স্বাস্থ্যভবন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র সল্টলেক

পাকিস্তানের (Pakistan) মাটিতে লস্কর ও প্যালেস্তিনীয় জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের নেতাদের বৈঠকের খবর সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এই গোপন যোগাযোগের আড়ালে কি নতুন কোনও বড়সড় নাশকতার ছক তৈরি হচ্ছে? বিশেষ করে ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আশঙ্কা দানা বাঁধছে। প্রকাশ্যে আসা তথ্য অনুযায়ী, হামাসের শীর্ষ কমান্ডার নাজি জাহির পাকিস্তানের গুজরানওয়ালায় অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে লস্করের প্রভাবশালী নেতা রশিদ আলি সান্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিল পাকিস্তান মারকাজি মুসলিম লিগ (পিএমএমএল), যাকে লস্কর-এ-তইবার রাজনৈতিক শাখা হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, একই মঞ্চে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে রয়েছেন নাজি জাহির এবং রশিদ আলি সান্ধু। জানা গিয়েছে, ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবেই উপস্থিত ছিলেন হামাস নেতা জাহির। অন্যদিকে, সান্ধু পিএমএমএল-এর আড়ালে থাকা লস্করের এক গুরুত্বপূর্ণ মুখ বলে মনে করা হয়।

এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরেই দুই কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠনের মধ্যে ক্রমশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠার ইঙ্গিত মিলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির মধ্যে এই ধরনের যোগাযোগ ভবিষ্যতে বড়সড় নিরাপত্তা সংকট তৈরি করতে পারে।

এমন এক সময়ে এই ঘটনা সামনে এল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা পরিস্থিতি নিয়ে একটি নতুন পরিকল্পনার কথা ভাবছেন। তাঁর ২০ দফা গাজা পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী গঠনের প্রস্তাব রয়েছে, যেখানে পাকিস্তান সেনা পাঠাতে পারে বলে আশা করছে ওয়াশিংটন। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানে হামাস নেতার উপস্থিতি এবং লস্করের সঙ্গে বৈঠক যে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে মোটেই স্বস্তির বার্তা নয়, তা বলাই বাহুল্য। আন্তর্জাতিক কূটনীতির পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole