David Beckham : বাবাকে আইনি নোটিশ পাঠালেন ডেভিড বেকহ্যামের বড় ছেলে

ক্রীড়া

নিউজ পোল ব্যুরো: বেকহ্যাম পরিবারে ভাঙন আরও স্পষ্ট হলো। ডেভিড বেকহ্যাম (David Beckham) এবং তার স্ত্রী ভিক্টোরিয়া বেকহ্যামকে (Victoria Beckham) আইনি নোটিশ পাঠালেন তাদের বড় ছেলে ব্রুকলিন বেকহ্যাম (Brooklin Beckham)। বার বার বিশৃঙ্খলা জীবন-যাপনের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। একাধিক ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম দ্বারা এমনই খবর পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন:Royal Challengers Bengaluru : রাজস্থানের পর ঘর বদলাচ্ছে আরসিবি

ব্রুকলিনের বাবা–মা ও তার স্ত্রী নিকোলা পেল্টজের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় ভিক্টোরিয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় ছোট ছোট ইঙ্গিতপূর্ণ পদক্ষেপের মাধ্যমে সম্পর্ক জোড়া লাগানোর চেষ্টা করছিলেন। তবে উল্টো এসব উদ্যোগ পরিস্থিতি আরও খারাপ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ব্রুকলিনের পাঠানো আইনি নোটিশে তার বাবা–মাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ট্যাগ করতে নিষেধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে ইনস্টাগ্রামে বাবা–মা ও ভাইবোনদের ব্লক করে দেন ব্রুকলিন। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভিক্টোরিয়া ব্রুকলিনের পোস্ট করা রোস্ট চিকেনের একটি ভিডিওতে ‘লাইক’ দেওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি। যদিও ব্রুকলিন তার পরিবারের অন্য সদস্যদের ব্লক করেননি। বরং তারা নিয়মিত তার পোস্টে মন্তব্য করলে সেটিকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করছেন ব্রুকলিন।

দ্য সান ইউএস’র প্রতিবেদনে বলা হয়, গত গ্রীষ্মেই ব্রুকলিন প্রথমবারের মতো ডেভিড ও ভিক্টোরিয়াকে একটি চিঠি পাঠান। সেখানে তিনি অনুরোধ করেন, ভবিষ্যতে সব ধরনের যোগাযোগ যেন কেবল আইনজীবীদের মাধ্যমেই করা হয়। তার ইচ্ছা ছিল, ব্যক্তিগত বিষয়গুলো জনসমক্ষে নয়, বরং গোপনেই মীমাংসা করা। বাবা–মা সেই অনুরোধ মানেননি বলেই শেষ পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের ব্লক করার সিদ্ধান্ত নেন ব্রুকলিন ও নিকোলা।

যদিও তাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। তবে পরিস্থিতি আগের চেয়েও অনেক বেশি জটিল ও হতাশাজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

সূত্রটি আরও জানায়, ‘ডেভিড ও ভিক্টোরিয়া সবসময়ই তাদের প্রিয় বড় ছেলেকে বোঝাতে চেয়েছেন যে, তার জন্য তাদের দরজা সবসময় খোলা। তারা এখনও তার প্রতি গভীরভাবে যত্নশীল। কিন্তু এই আইনি চিঠির পর তাদের কাছে আর সরাসরি যোগাযোগের কোনো উপায় ছিল না। ফলে তারা এই ঘটনায় হতবাক ও গভীরভাবে মর্মাহত।’