Macron: কেন ঘরের ভেতর চশমা পরেছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট? ট্রোলিংয়ের মাঝেই আসল কারণ প্রকাশ্যে আসতেই হুলস্থুল

আন্তর্জাতিক

নিউজ পোল ব্যুরো: আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মঞ্চে রাষ্ট্রনেতাদের বক্তব্য যতটা গুরুত্ব পায়, ঠিক ততটাই আলোচনায় উঠে আসে তাঁদের উপস্থিতি ও পোশাক-আশাক। কে কী পরলেন, কার আচরণে ব্যতিক্রম ধরা পড়ল এসব নিয়েও কৌতূহলের শেষ থাকে না। এবছর দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিতে এসে ঠিক সেই কারণেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ (Macron)।

আরও পড়ুন: ASHA Workers Protest : মাসিক ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আশাকর্মীদের সল্টলেক অভিযান, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে উত্তেজনা

সম্মেলনের মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে ম্যাক্রোঁকে (Macron) দেখা যায় পরিপাটি সাদা-নীল স্যুট ও টাইয়ে, কিন্তু চোখে ছিল নীলচে অ্যাভিয়েটর সানগ্লাস। ঘরের ভিতরে রোদচশমা পরা দেখে অনেকেই অবাক হন। শুরু হয় ফিসফাস কেন এমন ব্যতিক্রমী সাজ? অনেকে বিষয়টিকে ফ্যাশন স্টেটমেন্ট বলেও ধরে নেন। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সামনে আসে আসল কারণ, আর তাতেই সব জল্পনার অবসান ঘটে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ম্যাক্রোঁর চোখে সাময়িক একটি সমস্যা দেখা দিয়েছে। কয়েকদিন আগেই ফ্রান্সে (France) সেনাবাহিনীর এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সময়ও তাঁকে একই ধরনের সানগ্লাস পরতে দেখা গিয়েছিল। তখন তাঁর চোখ লাল হয়ে ছিল। পরে নিজেই হালকা রসিকতার ছলে প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমার চোখটা এখন বাঘের চোখের মতো দেখাচ্ছে। এই বেমানান চশমার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।”

চিকিৎসকদের মতে, ম্যাক্রোঁ (Macron) ‘সাব-কনজাংটিভাল হেমারেজ’ নামে এক ধরনের ভাইরাসজনিত সমস্যায় ভুগছেন। এতে চোখের শিরায় সামান্য ক্ষতি হয় এবং লালচে ভাব দেখা যায়। তবে এটি গুরুতর কোনও অসুখ নয়। সাধারণত ব্যথাহীন এই সমস্যা দৃষ্টিতে সাময়িক অস্বস্তি তৈরি করলেও প্রায় দু’সপ্তাহের মধ্যেই নিজে থেকেই সেরে যায়। এই ব্যাখ্যা সামনে আসতেই দাভোসে চলা সব জল্পনা, কৌতূহল আর ফিসফাস মিলিয়ে যায়। ফ্যাশনের রহস্য ভেঙে স্পষ্ট হয়ে যায়, নীল সানগ্লাসের আড়ালে লুকিয়ে ছিল শুধুই স্বাস্থ্যজনিত সতর্কতা।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole