নিউজ পোল ব্যুরো: দুবাইয়ে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিট’-এ ২০২৬ সালের ‘বিশ্বসেরা মন্ত্রী’ হিসেবে সম্মানিত হলেন গাম্বিয়ার পর্যটন ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আবদোলি জোবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার তুলে দেন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের মধ্য থেকে মনোনীত ১০ জন মন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। নীতিকে বাস্তব রূপ দেওয়ার দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা এবং সমাজে পরিমাপযোগ্য ইতিবাচক প্রভাব তৈরির ক্ষেত্রে অসাধারণ নেতৃত্বের জন্য সেই তালিকা থেকেই আবদোলি জোবেকে চূড়ান্তভাবে বেছে নেওয়া হয়। এই পুরস্কার মূলত তাঁদেরই দেওয়া হয়, যাঁদের উদ্যোগ নিজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসিত হয়েছে এবং যাঁরা আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সমাধানের মাধ্যমে জনসেবা উন্নয়নে বিশ্বজুড়ে সরকারগুলিকে অনুপ্রাণিত করেছেন। পশ্চিম আফ্রিকার ছোট কিন্তু সম্ভাবনাময় দেশ গাম্বিয়া, যা ‘আফ্রিকার হাস্যোজ্জ্বল উপকূল’ নামে পরিচিত, জোবের নেতৃত্বে পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। বর্তমানে গাম্বিয়ার অর্থনীতিতে পর্যটন খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই খাতের উপর নির্ভর করে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
আটলান্টিক মহাসাগরের স্বচ্ছ ও শান্ত সৈকত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা গাম্বিয়া নদী, পরিবেশবান্ধব ইকো-লজ এবং আধুনিক বুটিক হোটেলের জন্য দেশটি আফ্রিকার অন্যতম নিরাপদ ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে পরিচিত। জোবে জানিয়েছেন, পর্যটন পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার একাধিক নীতিগত উদ্যোগ নিয়েছে। গালফ নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “রিসোর্ট ও হোটেল গড়ার জন্য জমি বরাদ্দ করা হচ্ছে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়ক নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। ভালো কাজের স্বীকৃতি মিলবেই—যে পথ আমাদের এতদূর এনেছে, সেই পথেই আমরা এগোতে চাই।” পুরস্কার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব নীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিচারকমণ্ডলী প্রার্থীদের দক্ষতা, প্রস্তুতি, উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গি এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত রায় দেন।
