Yuva Sathi : বেকার ভাতার লাইনে ভিড়! যুবসাথী প্রকল্প ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: রাজ্য বাজেটে ঘোষিত ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের (Yuva Sathi) জন্য রবিবার থেকেই নাম নথিভুক্তকরণ শুরু হতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দীর্ঘ লাইন চোখে পড়েছে। বেকার ভাতা পাওয়ার আশায় বহু শিক্ষিত যুবক-যুবতী আবেদন জমা দিতে ভিড় করছেন। এই পরিস্থিতি ঘিরেই রাজ্যের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তার অভিযোগ, এই দৃশ্য রাজ্যের বর্তমান কর্মসংস্থানের বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রকল্প সাধারণ মানুষের কাছে বেকার ভাতা নামেই পরিচিত। বহু জায়গায় দেখা যাচ্ছে, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাশ তরুণ-তরুণীদের পাশাপাশি তাদের পরিবারও লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন জমা দিচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, বেকার ছেলের হয়ে বৃদ্ধ বাবাকে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে—এটাই বর্তমান রাজ্যের দুর্ভাগ্যজনক বাস্তবতা। তার কথায়, আগে সন্তানেরা বাবার জন্য লাইনে দাঁড়াত, এখন বাবাদের ছেলের চাকরির আশায় লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন : South Point School Corruption : সাউথ পয়েন্টে নিয়োগ ও তহবিল দুর্নীতি মামলায় ইডির চার্জশিট, তদন্তে নতুন তথ্য সামনে

এছাড়াও যুবসমাজকে নিয়ে রাজ্য সরকারের উদ্যোগ নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। তার দাবি, বিজেপি যুবসমাজের সমস্যার কথা শুনে সমাধানের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে যুবসাথী প্রকল্পের (Yuva Sathi) মাধ্যমে ভোটের আগে মানুষকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রশাসনিক তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত পর্যন্ত প্রায় ১৩ লক্ষ ৫২ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। জেলা ভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে মুর্শিদাবাদ থেকে, আর সবচেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে কালিম্পং জেলায়। এই বিপুল আবেদন সংখ্যা রাজ্যের বেকারত্ব পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

বাজেট ঘোষণায় জানানো হয়েছে, মাধ্যমিক উত্তীর্ণ এবং ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকার যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে প্রকল্প কার্যকর হবে এবং সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত ভাতা দেওয়া হবে। কেউ চাকরি পেলে এই সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। এমনকি পড়াশোনার জন্য স্কলারশিপ পাওয়া ছাত্রছাত্রীরাও এই প্রকল্পের আওতায় থাকবেন। আগামী অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের জন্য ৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।