Naihati Boro Ma Temple : ১ মার্চ থেকে নৈহাটির বড়মা মন্দিরে স্থানীয়দের জন্য আলাদা গেট, লাইনে দাঁড়াতে হবে না দর্শনে

রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: নৈহাটির বড়মা মন্দিরে (Naihati Boro Ma Temple) দর্শনের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা থেকে এবার আংশিক মুক্তি পেতে চলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বহুদিন ধরেই নৈহাটিবাসীদের তরফে দাবি উঠছিল যে, মন্দির এলাকার বাসিন্দাদের জন্য আলাদা দর্শন ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে। সেই দাবি মেনেই অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। আগামী ১ মার্চ থেকেই চালু হচ্ছে নতুন এই বিশেষ নিয়ম। প্রতিদিনই নৈহাটির বড়মার দর্শনে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় (Naihati Boro Ma Temple)। শুধু নৈহাটি নয়, আশপাশের জেলা এমনকি দূরদূরান্ত থেকেও ভক্তরা আসেন বড়মার পুজো দিতে। বিশেষ করে অমাবস্যা, পূর্ণিমা বা উৎসবের দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। নতুন মন্দির নির্মাণের পর ভক্তদের ভিড় আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে সাধারণ দিনেও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে দর্শন করতে হয় সকলকে (Naihati Boro Ma Temple)।

আরও পড়ুন : Teacher Recruitment : শুরু একাদশ-দ্বাদশের এসএসসি কাউন্সেলিং, প্রথম দিনেই ৭০ জনের হাতে সুপারিশপত্র — দ্বিতীয় দফা কবে?

এই পরিস্থিতিতে সমস্যায় পড়ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। মন্দিরের কাছেই বাড়ি হলেও পুজো দিতে বা দর্শন করতে তাদেরও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হত। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, নৈহাটির বাসিন্দাদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ বা দ্রুত দর্শনের ব্যবস্থা করা হোক (Naihati Boro Ma Temple)। অবশেষে সেই দাবির প্রেক্ষিতেই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে নৈহাটি বড়কালী পুজো সমিতি ট্রাস্ট। ট্রাস্টের সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্যের মতে, নৈহাটিবাসীদের জন্য আলাদা গেট রাখা হবে, যার মাধ্যমে তারা সরাসরি বড়মার দর্শন করতে পারবেন। এই সুবিধা পেতে হলে অবশ্যই সচিত্র পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@thenewspole

জানা গেছে, ৭৪৩১৬৫ এবং ৭৪৩১৬৬ পিন কোডের আওতায় যাদের স্থায়ী বাসস্থান রয়েছে, শুধুমাত্র তারাই এই বিশেষ সুবিধা পাবেন। অন্য এলাকা থেকে আসা ভক্তদের জন্য আগের মতোই সাধারণ লাইনের ব্যবস্থাই থাকবে। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের আত্মীয় বা অতিথিদের এই বিশেষ গেট দিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন না বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে। ভক্তদের বিশ্বাস, বড়মা কখনও কাউকে খালি হাতে ফেরান না। মনের বাসনা পূরণের আশাতেই প্রতিদিন ভক্তদের ঢল নামে মন্দিরে। নতুন এই ব্যবস্থা চালু হলে নৈহাটির বাসিন্দারা কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে(Naihati Boro Ma Temple)।