নিউজ পোল ব্যুরো: হোলির দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্ক ছড়াল মধ্যমগ্রামে (Madhyamgram Fire)। বুধবার স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় পরপর একাধিক দোকানে আগুন লেগে যায় (Madhyamgram Station)। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, একটি মিষ্টির দোকান থেকেই আগুনের সূত্রপাত। মুহূর্তের মধ্যে সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের অন্যান্য খাবারের দোকানেও (Madhyamgram Fire)। একাধিক রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা (Madhyamgram Fire)। হোলির দিন হওয়ায় দুপুরবেলা দোকানপাটে ছিল যথেষ্ট ভিড়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে একটি মিষ্টির দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। তারপর আচমকাই আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। তার পরেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকানগুলিতে। এলাকার এক বাসিন্দার কথায়, “পরপর ৮-১০টি দোকানে আগুন ধরে যায়। বেশিরভাগই খাবারের দোকান। সিলিন্ডার একের পর এক ফাটতে শুরু করে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, প্রাণ বাঁচাতে সবাই ছোটাছুটি শুরু করেন।” (Madhyamgram Fire)
আরও পড়ুন : Gold Price Today : পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনায় জ্বলে উঠল সোনা-রুপো, রেকর্ড ছোঁয়ার দোরগোড়ায় দাম
আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের চারটি ইঞ্জিন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা। পাশাপাশি মধ্যমগ্রাম থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয় এলাকায় (Madhyamgram Fire)। পরিস্থিতি সামাল দিতে উপস্থিত হন বারাসতের এসডিপিও, ডিএসপি ট্র্যাফিক-সহ একাধিক পুলিশ আধিকারিক। স্থানীয় কাউন্সিলার তথা মধ্যমগ্রাম পুরসভার উপপুরপ্রধান প্রকাশ রাহাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তিনি জানান, “খাবারের দোকান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। সিলিন্ডার বিস্ফোরণের জেরেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে (Madhyamgram Fire)। তবে এই দোকানগুলি কীভাবে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গড়ে উঠল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
এলাকার একাংশের বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্টেশন লাগোয়া এলাকায় অনিয়ন্ত্রিতভাবে একের পর এক দোকান গজিয়ে ওঠায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ ছিল। এদিনের ঘটনার পর সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে (Madhyamgram Fire)। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও নির্দিষ্ট খবর পাওয়া যায়নি। তবে একাধিক দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দমকলের তৎপরতায় আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এলেও এলাকায় এখনও আতঙ্কের পরিবেশ বিরাজ করছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (Police)।
