নিউজ পোল ব্যুরো: পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমশ জটিল আকার নিচ্ছে ইজরায়েল-ইরান সংঘাত (Israel-Iran War)। এই যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি বাজারেও। তার জেরেই ভারতে রান্নার গ্যাসের দাম হঠাৎ করেই অনেকটা বেড়ে গিয়েছে (LPG)। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার গ্যাস বুকিংয়ের নিয়মেও বড় পরিবর্তন আনল (LPG)। আগে যেখানে ২১ দিন অন্তর গ্যাস বুকিং করা যেত, এখন থেকে তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ২৫ দিন। প্রায় টানা ১০ দিন ধরে চলছে ইজরায়েল-ইরান সংঘাত (Israel-Iran War)। আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের দামের উপর এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে (LPG)। সেই কারণেই ভারতের জ্বালানি বাজারেও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। ইতিমধ্যেই রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়েছে ৬০ টাকা (LPG)। ফলে ১৪.২ কেজির গৃহস্থালির এলপিজি সিলিন্ডার (LPG Cylinder Price) কিনতে এখন গ্রাহকদের খরচ করতে হচ্ছে ৯৩৯ টাকা, যা আগে ছিল ৮৭৯ টাকা।
শুধু গৃহস্থালির গ্যাসই নয়, বাণিজ্যিক গ্যাসের ক্ষেত্রেও দাম বৃদ্ধি হয়েছে। ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের (Commercial LPG Cylinder) দাম ১১৪ টাকা ৫০ পয়সা বাড়িয়ে প্রায় ১৯৯০ টাকা করা হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে হোটেল, রেস্তরাঁ এবং রাস্তার ধারের ছোট খাবারের দোকানগুলিতে। কারণ এসব জায়গার রান্না মূলত বাণিজ্যিক গ্যাসের উপরই নির্ভরশীল। এদিকে গ্যাস বুকিংয়ের সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার (LPG)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে ২৫ দিন অন্তর রান্নার গ্যাস বুকিং (LPG Booking Rule) করা যাবে। সরকারের দাবি, বাজারে গ্যাসের অতিরিক্ত মজুত করে কালোবাজারি রুখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে অনেকেই আতঙ্কে আগাম গ্যাস বুকিং করতে শুরু করেছিলেন, যাকে বলা হচ্ছে ‘প্যানিক বুকিং’ (Panic Booking)। সেই প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করতেই এই সিদ্ধান্ত।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
সূত্রের খবর, দেশের তেল সংস্থাগুলিকে এলপিজি (LPG) উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে গৃহস্থালির সিলিন্ডারকে (LPG)। অর্থাৎ আগে ডোমেস্টিক গ্যাসের (Domestic LPG Supply) চাহিদা মেটানো হবে, তারপর অতিরিক্ত গ্যাস থাকলে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে ভারতের তেল ও গ্যাস সরবরাহেও চাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই পরিস্থিতির দিকে এখন নজর রাখছে কেন্দ্র ও তেল সংস্থাগুলি।
