নিউজ পোল ব্যুরো: বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আর তার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলি ইতিমধ্যেই আংশিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেও তৃণমূল কংগ্রেস পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে। এই আবহে রাজ্যে বাড়ানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি। মাত্র দু’দফার বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলায় মোতায়েন করা হচ্ছে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী, যা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
আরও পড়ুন: Election 2026: ভাঙড়ে হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের ইঙ্গিত, শওকত মোল্লার বিরুদ্ধে নওশাদকে প্রার্থী করল আইএসএফ
ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় একাধিক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছেছে। শহর থেকে গ্রাম-বিভিন্ন এলাকায় তারা রুটমার্চ শুরু করেছে। ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তার বার্তা পৌঁছে দিতে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে হঠাৎ করে বাহিনীর এমন উপস্থিতিতে অনেক জায়গায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে মোট ২ হাজার ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF), স্টেট আর্মড পুলিশ ও ইন্ডিয়া রিজার্ভ ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক প্রথম দফায় ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৩০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ১২০ কোম্পানি বিএসএফ, ৩৭ কোম্পানি সিআইএসএফ, ৪৭ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ৪৬ কোম্পানি এসএসবি।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
এছাড়াও নির্বাচন কমিশনের আবেদনের ভিত্তিতে আরও ১৯২০ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অতিরিক্ত বাহিনী পাঁচটি ধাপে বাংলায় পৌঁছবে। দেশের বিভিন্ন রাজ্য-জম্মু ও কাশ্মীর, ত্রিপুরা, মণিপুর, অসম, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক জায়গা থেকে এই বাহিনী আনা হচ্ছে। সূত্রের খবর, রাজ্যে মোতায়েন থাকা বাহিনীর নেতৃত্ব দেবেন সিআরপিএফের সেক্টর আইজি শলভ মাথুর।
