Rajanya Haldar : নির্দল প্রার্থী হয়ে দুই কেন্দ্র থেকে লড়াইয়ের ঘোষণা রাজন্যা হালদারের

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন চমক এনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন সদ্য তৃণমূলত্যাগী নেত্রী রাজন্যা হালদার (Rajanya Haldar)। তিনি জানিয়েছেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর বিধানসভা (Sonarpur Assembly Constituency, South 24 Parganas) এবং পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা (Asansol South Assembly Constituency, Paschim Bardhaman) এই দুই কেন্দ্র থেকেই তিনি ‘জন সংগ্রাম মঞ্চ’-এর সমর্থনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। পাশাপাশি, আগামী সোমবার থেকেই তার জোরদার প্রচার শুরু হওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন।

আরও পড়ুন : Manju Basu: ধর্না মঞ্চের অপমান সহ্য করতে না পেরে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালেন নোয়াপাড়ার বিধায়িকা

রাজন্যা হালদারের (Rajanya Haldar) দাবি, তিনি কোনও বড় রাজনৈতিক দলের ভরসায় নয়, বরং সাধারণ মানুষের সমর্থন নিয়েই এই নির্বাচনী লড়াইয়ে নামছেন। তার কথায়, “মানুষের জন্য কাজ করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। মানুষের আস্থা নিয়েই আমি এগোতে চাই।” তৃণমূল কংগ্রেস থেকে তার দূরত্ব তৈরি হওয়ার পেছনে একটি বিতর্কিত ঘটনাকে দায়ী করা হচ্ছে। কলকাতার একটি আইন কলেজের এক ছাত্রীর সঙ্গে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক নেতার বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হন রাজন্যা (Rajanya Haldar)। দলীয় অবস্থানের সঙ্গে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় ধীরে ধীরে দলের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং শেষপর্যন্ত তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

এবার নির্দল প্রার্থী হিসেবে আসানসোল দক্ষিণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন। কেন এই কেন্দ্র বেছে নেওয়া হল এই প্রশ্নের উত্তরে রাজন্যা (Rajanya Haldar) জানান, এলাকার বিদায়ী বিধায়ক নাকি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যথেষ্ট যোগাযোগ রাখেন না। তার বক্তব্য, “আমি নির্বাচিত হলে মানুষের পাশে থেকে কাজ করব এবং তাদের সমস্যার সমাধানে সর্বদা উপস্থিত থাকব।” তবে বহিরাগত হিসেবে এই কেন্দ্রে প্রার্থী হওয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই প্রসঙ্গে রাজন্যা (Rajanya Haldar) বলেন, ‘ন্যাশনালিস্ট কনজ়ারভেটিভ পার্টি’-র কিছু নেতাকর্মী তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং তাকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়াও, নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি এলাকায় নিয়মিত থাকবেন কি না, সেই নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। যদিও রাজন্যা স্পষ্ট জানিয়েছেন, “আমি মানুষের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিদায়ী বিধায়কের মতো নয়, আমি নিয়মিতভাবে মানুষের পাশে থাকব।” তার এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।