Nabanna Security : নবান্নে কড়া নিরাপত্তা! গেটে গেটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, ভোটগণনার মাঝেই বাড়ছে উত্তেজনা

কলকাতা রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: ভোটের ফলাফল ঘোষণার দিন রাজ্য প্রশাসনের নার্ভ সেন্টার নবান্ন ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজিরবিহীনভাবে জোরদার করা হয়েছে (Nabanna Security)। এই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। নবান্নের প্রতিটি প্রবেশ ও প্রস্থান পথেই মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী, যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয় (Nabanna Security)। নবান্ন মূলত মন্দিরতলা ও হাওড়া কমিশনারেট এলাকার অন্তর্গত হলেও, ভবনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে কলকাতা পুলিশ-এর রিজার্ভ ফোর্স। এতদিন পর্যন্ত ১৩ ও ১৪ তলা যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর দপ্তর ও রাজ্য সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ অবস্থিত সেগুলি ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটির অধীনে সুরক্ষিত ছিল। ভোট ঘোষণার পরেও সেই নিরাপত্তা কাঠামো বহাল ছিল (Nabanna Security)।

আরও পড়ুন: Sujit Basu : বিধাননগরে শুরুতে পিছিয়ে তৃণমূল, দুপুর গড়াতেই ‘খেলা’ বদলে দিলেন সুজিত বসু

তবে দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যখন নির্বাচনী ফলাফলে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে ব্যবধান বাড়তে শুরু করে, তখনই পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Armed Police Forces) নবান্নের প্রতিটি গেটে মোতায়েন করা হয় বলে সূত্রের খবর। প্রশাসনিক দফতরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। নবান্ন ভবনের গেটগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল VVIP গেট, যা সভাঘরের পাশ দিয়ে অবস্থিত। সাধারণত এই গেট দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য ভিআইপি ব্যক্তিত্বরা প্রবেশ করেন। পাশের গেটটি ব্যবহৃত হয় তাদের বেরোনোর জন্য। এছাড়াও রয়েছে নর্থ গেট এবং একটি সাধারণ প্রবেশদ্বার, যা সাধারণ মানুষের জন্য নির্দিষ্ট। প্রতিটি গেটেই এখন কড়া নজরদারি চলছে (Nabanna Security)।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

এদিকে নির্বাচনী পরিস্থিতিও ক্রমশ চিত্তাকর্ষক হয়ে উঠছে। ভবানীপুর কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে বলে শেষ খবর। ২০১১ সালের রাজনৈতিক পালাবদলের সময় যেমন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য নিজের কেন্দ্র যাদবপুর-এ পরাজিত হয়েছিলেন, তেমনই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবারের ফলাফলেও। এখনও পর্যন্ত প্রায় ১২ দফা গণনা শেষ হয়েছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকার ভোট গণনা ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড বিশেষত ৭০, ৭১, ৭২ ও ৬৩ নম্বর বুথ যেখানে অবাঙালি ও গুজরাটি ভোটব্যাঙ্কের প্রভাব রয়েছে, সেগুলির গণনা বাকি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বুথগুলির ফলাফল প্রকাশ পেলে ব্যবধান আরও কমতে পারে এবং ফলাফলের চিত্রে নতুন মোড় আসতে পারে।