নিউজ পোল ব্যুরো:আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ায় নতুন মোড় এল (RG Kar case new division bench)। মামলার দ্রুত শুনানির জন্য নতুন ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে এবার থেকে বহুচর্চিত এই মামলার শুনানি হবে। শনিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল নতুন বেঞ্চ নির্ধারণ করেন।
আরও পড়ুন:Ashok Kirtania:‘এসআইআর’ নিয়ে বিভ্রান্তি নয়, মানুষের পাশে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী!
নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ফের সিবিআই তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ঘটনাটিকে ‘বিরলের থেকেও বিরলতম’ বলে উল্লেখ করে দোষীর ফাঁসির দাবিতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। পাশাপাশি, আরজি কর হাসপাতালের ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং পরিবারের দায়ের করা একাধিক আবেদনের শুনানিও এই নতুন বেঞ্চেই হবে বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, গত ১২ মে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চে বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। এরপরই নতুন বেঞ্চ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সোমবার নতুন বেঞ্চে দ্রুত শুনানির আবেদন জানাতে পারেন নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবীরা।
এদিকে, রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর আরজি কর কাণ্ডে প্রশাসনিক স্তরেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে (RG Kar case new division bench)। তরুণী চিকিৎসকের উপর নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা গুরুতর অভিযোগের জেরে তিন জন আইপিএস আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে পৃথক তদন্তও।
সাসপেন্ড হওয়া আধিকারিকদের মধ্যে রয়েছেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনাকালীন সময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকদের ভূমিকা, এফআইআর দায়েরে বিলম্ব এবং তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। তবে মূল মামলার তদন্ত যেহেতু সিবিআইয়ের হাতে রয়েছে, তাই সেই তদন্তে রাজ্য সরকার কোনও হস্তক্ষেপ করছে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@thenewspole
মুখ্যমন্ত্রীর আরও দাবি, ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর নির্যাতিতার পরিবারকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল দুই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগ-সহ সমস্ত দিকই তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।
