নিউজপোল ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি হোক বা কয়লা কাণ্ড— রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে চলা মেগা তদন্তের জল এবার সরাসরি এসে ঠেকল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একেবারে অন্দরে, যার জেরে নবান্ন থেকে শুরু করে কালীঘাটের শীর্ষ মহলে তীব্র কম্পন শুরু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তদন্তের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। সেই পরিস্থিতিতে আইনি সুরক্ষা পাওয়ার আশায় তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। তবে বিশেষ বেঞ্চ তাঁর আবেদনে হস্তক্ষেপ না করায় আপাতত সেই আইনি স্বস্তি মিলল না। আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত তদন্তকারী সংস্থার পরবর্তী পদক্ষেপের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। যদিও আদালত এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করেনি বা তদন্তের ফলাফল সম্পর্কে কোনো মন্তব্যও করেনি। তদন্ত আইন অনুযায়ী চলবে এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনে তদন্তকারী সংস্থা জিজ্ঞাসাবাদ বা অন্যান্য আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে।
তদন্তকারী সংস্থা ইডির চলমান তদন্তের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে? সুমিত রায়কে কি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হবে, নাকি তিনি আইনি লড়াইয়ের অন্য পথ বেছে নেবেন? আদালতের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।
