নিউজপোল ব্যুরো: ছয় বছর আগের সেই উত্তপ্ত দিনের ঘটনা ফের উঠে এল শিরোনামে! ২০২০ সালে ডায়মন্ড হারবার যাওয়ার পথে তৎকালীন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনায় এবার আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেফতার করা হল মগরাহাট পশ্চিমের দুই তৃণমূল নেতাকে। ধৃতদের নাম রিপন শেখ ও সঞ্জীব মণ্ডল। পুরনো সেই হামলার সঙ্গে তাঁদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে পুলিশি জেরা।
পুলিশ সূত্রের খবর, ধৃত দুই নেতাকে হেফাজতে নিয়ে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। নাড্ডার কনভয়ে হামলার দিন ঠিক কী ভূমিকা ছিল তাঁদের, সেই সময় তাঁরা কোথায় ছিলেন এবং ঘটনার পিছনে আরও কারও যোগ রয়েছে কি না—এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে। ডায়মন্ড হারবারে কর্মিসভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন জে পি নাড্ডা। সভাস্থলে পৌঁছনোর আগেই বিষ্ণুপুর থানার আমতলা মোড়ের কাছে তাঁর কনভয় যানজটে আটকে পড়ে। অভিযোগ, সেই সময় কনভয়কে লক্ষ্য করে লাঠি, পতাকার ডান্ডা ও ইট ছোড়া হয়। হামলার জেরে একাধিক গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিজেপির কয়েকজন নেতাও আহত হন বলে সে সময় দলটির তরফে দাবি করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন – https://thenewspole.com/2026/09/19/taratala-warehouse-collapse-charge-sheet-filed-sit-alipore-court/
সেই সময় ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাপানউতোর তৈরি হয়েছিল। বিজেপির পক্ষ থেকে হামলার জন্য তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছিল। অন্যদিকে, তৃণমূল সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছিল। ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে বিস্তর প্রশ্ন উঠেছিল। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে শুরু হয়েছিল তীব্র টানাপোড়েন। এবার এত বছর পর সেই ঘটনার তদন্তে নতুন করে তৎপরতা দেখা গেল। পুলিশের দাবি, মগরাহাট পশ্চিমের দুই তৃণমূল নেতা রিপন শেখ ও সঞ্জীব মণ্ডলের বিরুদ্ধে এলাকায় বাইক বাহিনী নিয়ে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগও রয়েছে। তবে নাড্ডার কনভয় হামলায় তাঁদের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী ছিল, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।
