Kunal Ghosh car attack in Beleghata : ফের নিশানায় কুণাল ঘোষ? উত্তরপাড়ার পর বেলেঘাটায় হামলার অভিযোগ, নারকেলডাঙা থানার বাইরেও বোমা-গুলি নিয়ে দুষ্কৃতীদের দাঁড়িয়ে থাকার বিস্ফোরক অভিযোগ

breakingnews অপরাধ আইন রাজনীতি রাজ্য

নিউজপোল ব্যুরো: উত্তরপাড়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের কুণাল ঘোষের গাড়ি ঘিরে হামলার অভিযোগ। শনিবার উত্তরপাড়ায় গাড়ি আটকে বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠার একদিনের মধ্যেই রবিবার সকালে বেলেঘাটায় নতুন করে হামলার অভিযোগ তুললেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, একটি পূর্বনির্ধারিত রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বেলেঘাটার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে উন্নয়নমূলক কাজের জায়গা দেখতে যাওয়ার পথেই তাঁর গাড়িকে অনুসরণ করা হয়। পরে অনুষ্ঠানস্থলের কাছে গাড়ি আটকে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

কুণাল ঘোষের অভিযোগ, কয়েকজন বাইক আরোহী তাঁর গাড়ির পিছু নিয়েছিল। বেলেঘাটায় একটি অনুষ্ঠানে ঢোকার আগে গাড়ির পথ আটকে দেওয়া হয়। এরপর রিভলভার ও হাতুড়ি নিয়ে গাড়ির কাচ ভাঙার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর কোনওমতে নারকেলডাঙা থানায় পৌঁছন তিনি। কিন্তু সেখানেও আতঙ্ক কাটেনি বলে দাবি বিধায়কের। তাঁর বক্তব্য, থানার বাইরেও বোমা ও গুলি নিয়ে কয়েকজন দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে তিনি অভিযোগ পেয়েছেন। এর আগে শনিবার শ্রীরামপুরে একটি সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় উত্তরপাড়ায় কুণাল ঘোষের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের অভিযোগ উঠেছিল। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেই ঘটনায় গাড়িতে ডিম, ইট ও পাথর ছোড়া হয় এবং গাড়ির কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কুণাল ঘোষও দাবি করেছিলেন, লোহার রড ও বড় পাথর দিয়ে তাঁর গাড়িতে হামলা করা হয়েছে এবং তিনি আঘাত পেয়েছেন।

উত্তরপাড়ার ঘটনার পর কুণাল ঘোষ জানিয়েছিলেন, তাঁকে লক্ষ্য করেই হামলা হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন। এবার বেলেঘাটার ঘটনার পরও একই অভিযোগ সামনে আনলেন তিনি। তাঁর কথায়, গতকালের ঘটনার পরও পরিস্থিতি থামেনি এবং তাঁকে ও তাঁর সহকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, বাড়ির সামনে থেকেই তাঁকে অনুসরণ করা হচ্ছিল।

পরপর দুই দিনের এই অভিযোগে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, কারা এই হামলার নেপথ্যে এবং কেন বারবার তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করা হচ্ছে? যদিও হামলার অভিযোগের পিছনে কারা রয়েছে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্তভাবে কোনও তদন্তের ফল সামনে আসেনি। উত্তরপাড়ার ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছিল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হলেও বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব পাল্টা দাবি করেছে, ঘটনাটি সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।