জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রণক্ষেত্র রাজধানী! গান্ধী জয়ন্তীতে মুম্বই থেকে CJP-র রাস্তায় নামার ডাক!

breakingnews অপরাধ আইন দেশ

নিউজপোল ব্যুরো: জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গান্ধী জয়ন্তীর দিন থেকেই দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি বা CJP। শুক্রবার মুম্বইয়ের শিবাজি পার্ক থেকে শুরু হওয়ার কথা এই কর্মসূচির। CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের ঘোষণা, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে। এরপর দেশের একাধিক শহরে কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

CJP-র মূল অভিযোগ ভোটার তালিকা সংশোধনের Special Intensive Revision বা SIR-কে ঘিরে। সংগঠনের দাবি, SIR প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে হবে এবং ২০২৫ সালের ভোটার তালিকাকে ভিত্তি করেই নির্বাচন করা উচিত। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ পদে নিয়োগের প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করার দাবিও তুলেছে তারা। দীপকে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন। এগুলি CJP-র দাবি; নির্বাচন কমিশনের অবস্থানকে এর সঙ্গে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন। আন্দোলনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই মুম্বইয়ে টানটান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শিবাজি পার্কে শুক্রবারের কর্মসূচির জন্য CJP-কে পুলিশ অনুমতি দেয়নি। তা সত্ত্বেও কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন দীপকে। বৃহস্পতিবারও মুম্বইয়ে তাঁকে ঘিরে পুলিশের তৎপরতা দেখা যায়। মেরিন ড্রাইভে প্ল্যাকার্ড হাতে তাঁকে দেখা যাওয়ার পর কিছুক্ষণের জন্য থানায় নিয়ে যাওয়ার খবর সামনে আসে, যদিও মুম্বই পুলিশ তাঁকে আটক করার কথা অস্বীকার করেছে।

অন্যদিকে, CJP-র আন্দোলন নিয়ে বিজেপির তরফে পাল্টা প্রতিক্রিয়াও এসেছে। বিজেপি নেতা দেবজিৎ সরকার বলেছেন, CJP তাদের কর্মসূচি করুক, তারপর মানুষ কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায় তা দেখা যাবে। তাঁর বক্তব্যে আন্দোলন নিয়ে রাজনৈতিক কটাক্ষও উঠে এসেছে।

CJP-র তরফে দাবি করা হয়েছে, এর আগে NEET প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদেও তাদের আন্দোলন বড় আকার নিয়েছিল। সেই আন্দোলনের জেরেই তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরতে হয়েছিল—এমন দাবি সংগঠনের বক্তব্যে উঠে এসেছে। তবে আন্দোলনের সঙ্গে ওই পদত্যাগের সরাসরি কারণ-সম্পর্ক নিয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর মতো তথ্য এখানে নেই।