নিউজপোল ব্যুরো: টাকি পুরসভাকে ঘিরে একের পর এক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ। পুরসভার জমি লিজ, বিভিন্ন প্রকল্পে অর্থ খরচ এবং আর্থিক লেনদেন নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন টাকি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর প্রদ্যুৎ দাস। মামলার শুনানির পর অভিযোগগুলির তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
মামলাকারীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পুরসভার আর্থিক ও প্রশাসনিক কাজে একাধিক অনিয়ম হয়ে আসছে। ২০২৩ সালে তৎকালীন চেয়ারম্যান সোমনাথ মুখোপাধ্যায় এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দফতরেও লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ করা হয়নি।
মামলায় ইছামতীর বুকে ভাসমান রেস্তরাঁ তৈরির নামে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি পুরসভার চার বিঘে জমি মাত্র ৪২০ টাকা লিজে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। একটি হোটেলের জন্য বছরে মাত্র ১২০ টাকা হারে জমি লিজ দেওয়ার বিষয়টিও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও পুরসভার এক কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নিয়মবহির্ভূতভাবে ৭২ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা জমা পড়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এবার আদালতের নজরদারিতে তদন্ত করবে সিআইডি। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে ওঠা অভিযোগের তদন্তে এবার কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর।
