নিউজপোল ব্যুরো: চোরবাগান ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে তাই পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল নিরাপত্তা ও নাগরিকদের পরিষেবা নিশ্চিত করতে সর্তকমূলক বার্তা। উৎসবের আনন্দে আগেভাগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চাইছে রাজ্য প্রশাসন। কালীপুজো, কার্তিক পুজো ও ছটপুজোকে কেন্দ্র করে একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপের কথা অগ্নিমিত্রা পাল। এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলার বিধায়ক, জেলাশাসক, পুলিশ আধিকারিক, BDO ও SDO-দের সঙ্গে বৈঠকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পক্ষ থেকে একটি SOP করা হয়েছে।
কালীপুজোর প্যান্ডেলগুলিকে অনুমতি দেওয়ার আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার উপর জোর দিয়েছেন তিনি। কোনও প্যান্ডেলের ভিতরে অন্ধকার রাখা যাবে না। প্রবেশ ও বেরোনোর পথ আলাদা রাখতে হবে এবং বেরোনোর রাস্তা প্রবেশপথের তুলনায় দ্বিগুণ চওড়া রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক, পরিচয়পত্র, অ্যাম্বুল্যান্স, প্রাথমিক চিকিৎসা ও পানীয় জলের ব্যবস্থাও রাখতে হবে।
ছটপুজোয় নদী ও জলাশয়ের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অগ্নিমিত্রা। বিগত সরকারের আমলে বালি তোলার ফলে তৈরি হওয়া গভীর গর্ত এবং অসমান নদীগর্ভ বিপদের কারণ হতে পারে। তাই বিপজ্জনক জায়গা চিহ্নিত করে ব্যারিকেড, প্রশিক্ষিত ডুবুরি, পর্যাপ্ত আলো, নিরাপদ সিঁড়ি ও মহিলাদের চেঞ্জিং রুম রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যা ও ১৬ নভেম্বর ভোরে ছটপুজোর সময় নদীতে জলস্তর নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি শুধুমাত্র অনুমোদিত গ্রিন ক্র্যাকার্স ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। প্রতিমা নিরঞ্জনে কনভেয়ার বেল্ট ও ট্রলির ব্যবস্থার উপরেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন, পুজো কমিটি ও সাধারণ মানুষের যৌথ উদ্যোগেই নির্বিঘ্নে উৎসব সম্পন্ন করতে চাইছে রাজ্য।
