নিউজ পোল ব্যুরো:সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজো এবার নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। অভিযোগ, এবারের পুজো মণ্ডপকে সাধারণ মানুষের জন্য সীমিত করা হয়েছে। গার্ডরেল দিয়ে মূল ৪০ ফুটের রাস্তা বন্ধ করে মানুষকে মাত্র ১৫ ফুটের পথ ধরে মণ্ডপে প্রবেশ করতে হচ্ছে। ফলে ৭০০ মিটার হাঁটলেই পৌঁছানো যেত, সেখানে এখন তিন থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার হাঁটতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে পুজো আয়োজন ক্লাবের পক্ষে আরও কঠিন হয়ে যাবে বলে অভিযোগ করেছেন সজল ঘোষ।এবার সেই পুজো নিয়েই হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং (Arjun Singh warning Santosh Mitra Square Puja)। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের এবারের পুজোর থিম ‘অপারেশন সিঁদুর’। এখানে প্রদর্শিত হয়েছে পহেলগাঁও হামলা থেকে শুরু করে ভারতীয় সেনার বিভিন্ন অভিযান, যা মা-বোনদের সম্মান রক্ষার বার্তা বহন করে। কিন্তু এ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অর্জুন সিং।
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/09/28/manoj-verma-emotional-memories-bhangar-durga-puja/
রবিবার সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি (Arjun Singh warning Santosh Mitra Square Puja) বলেন, “ওই পুজো বন্ধ হলে বাংলায় আগুন জ্বলবে। সজল ঘোষ বুক চিতিয়ে পুজো চালান। হাজার হাজার মানুষ তাঁদের পাশে আছে। ওই পুজো মা-বোনদের সম্মান রক্ষার বার্তা দেয়, কিন্তু এখন সিঁদুরকেও রাজনৈতিক রঙ দেওয়া হচ্ছে। এটা হওয়া চলবে না।”
পুজোর মণ্ডপে প্রবেশ পথ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। মূল ৪০ ফুটের রাস্তা গার্ডরেল দিয়ে বন্ধ থাকায় মানুষকে ছোট পথে যেতে হচ্ছে। সাধারণভাবে মণ্ডপে পৌঁছাতে ৭০০ মিটার হাঁটা যথেষ্ট হলেও এখন তিন থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার হাঁটতে হচ্ছে। এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার ফলে দর্শক এবং স্থানীয়দের অসুবিধা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত বছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ভাঙড়ের চারটি থানাকে কলকাতা পুলিশের আওতায় আনা হয়েছিল। তবে এখনও তিনটি থানার নির্মাণ কাজ বাকি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নগরপাল মনোজ কুমার ভর্মা জানান, “একটি থানা প্রায় তৈরি হয়ে গিয়েছে, শীঘ্রই চালু হবে। বাকি তিনটি থানার জন্য জমি চিহ্নিত করা হয়েছে, খুব দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু হবে।” এছাড়া ভাঙড়ে একটি ব্যাটালিয়ন স্থাপনের জন্যও জমি নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
এই বিতর্কে রাজনৈতিক ও সামাজিক উভয় স্তরেই উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পুজোর আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বকে নিরাপদভাবে বজায় রেখে সাধারণ মানুষের সুবিধা নিশ্চিত করাই এখন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সজল ঘোষের পুজো এবং অর্জুন সিংয়ের মন্তব্যের মধ্যে মিলেমিশে তৈরি হয়েছে এক উত্তপ্ত রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট।
