Manoj Verma emotional speech:মায়ের স্মৃতিচারণায় আবেগপ্রবণ ‘দবাং’ কমিশনার মনোজ ভর্মা!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:ভাঙড়ের কালিকাপুর সর্বজনীন দুর্গোৎসবের উদ্বোধনী মঞ্চ যেন রবিবার বিকেলে হয়ে উঠেছিল স্মৃতিচারণার আবহে ভরপুর। কলকাতার নগরপাল মনোজ কুমার ভর্মা (Manoj Verma emotional speech) যখন মাইক্রোফোন হাতে নিলেন, তখন প্রত্যাশিত বক্তব্যের বাইরে গিয়ে ফিরে গেলেন তাঁর গ্রামীণ জীবনের কাহিনিতে। শহরের পুলিশের শীর্ষপদে থেকে আজ যিনি কড়া প্রশাসনিক দক্ষতার জন্য পরিচিত—সেই ‘দবাং’ মনোজ ভর্মার কণ্ঠে উঠে এলো এক অচেনা আবেগ।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/09/28/pm-modi-mann-ki-baat-bhagat-singh-lata-mangeshkar-chhath-unesco/

পুজো কমিটির পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া ও দুর্গা প্রতিমা উপহার গ্রহণের পরই তিনি বলেন, “আজকের এই আয়োজন আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আমার ছোটবেলার গ্রামে। অনেকে মনে করেন আমরা শহরে থেকে আধুনিক জীবনযাপন করি। কিন্তু আমি জানাতে চাই, আমার শিকড় এখনও গ্রামের সঙ্গেই অটুট। আমার মা আজও সেই রাজস্থানের প্রত্যন্ত গ্রামেই থাকেন, যেখানে আলো-বিদ্যুৎ ছিল না, পানীয় জলের একমাত্র উৎস ছিল নদী।”

তিনি আরও জানান, তাঁর গ্রামের বাড়ি মূল রাস্তা থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার ভেতরে। শৈশবে গ্রামীণ জীবনের নানা অভাব-অভিযোগের মধ্য দিয়েই বেড়ে ওঠা মনোজ ভর্মা আজও মায়ের পরিশ্রমী জীবনযাপনের কথা ভোলেননি। নিজের মতো চাষবাস করে যাওয়া সেই মায়ের স্মৃতিই তাঁকে অনুপ্রেরণা জোগায়।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

উদ্বোধনী মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভাগীদার হলেন উপস্থিত সকলে। পুজোর আধ্যাত্মিক আবহ যেন মিশে গেল এক পুলিশ কমিশনারের অন্তরঙ্গ স্মৃতিচারণায়।

অবশ্য শুধু আবেগ নয়, এদিন প্রশাসনিক বিষয়েও মুখ খুললেন নগরপাল। ভাঙড়ের চারটি থানা গত বছর কলকাতা পুলিশের অন্তর্ভুক্ত করা হলেও এখনও কাজ বাকি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মনোজ ভর্মা (Manoj Verma emotional speech) জানান, “একটি থানা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে, শিগগিরই চালু হবে। বাকি তিনটি থানার জন্য জমি চিহ্নিত করা হয়েছে, খুব দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু হবে।” তিনি এ-ও বলেন, ভাঙড়ে একটি ব্যাটালিয়ন তৈরির কাজও শুরুর পথে।

একদিকে দুর্গোৎসবের আনন্দঘন পরিবেশ, অন্যদিকে এক শীর্ষকর্তার জীবনের অনাবিল স্মৃতিচারণ—দুয়ের মেলবন্ধনে কালিকাপুরের উদ্বোধনী মঞ্চে তৈরি হলো এক আবেগঘন আবহ।