নিউজ পোল ব্যুরো: বাংলাদেশে (Bangladesh) ভারত বিরোধী (Anti-India) মনোভাব বর্তমানে এক তীব্র অবস্থায় পৌঁছেছে, এমনকি মুক্তিযুদ্ধে (Liberation War) ভারতের ভূমিকা এবং অবদান সম্পর্কেও অস্বীকার করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, ইন্দো-বাংলাদেশ (Indo-Bangladesh) জয়েন্ট রিভার কমিশনের (Joint River Commission) বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ৫ দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসেছে। এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন মহম্মদ আবুল হোসেন (Mohammad Abul Hossain)। তারা গঙ্গা পদ্মা জলবণ্টন চুক্তি (Ganga Padma Water Sharing Agreement) সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে এসেছেন, যেটি নিয়ে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন যাবত অভিযোগ জানিয়ে আসছে। সফরের অংশ হিসেবে তারা ফারাক্কা ব্যারেজও (Farakka Barrage) পরিদর্শন করবেন।
আরও পড়ুন:Yunus-Modi: মতবিরোধের মাঝেও ‘অল ইজ ওয়েল’ দাবি ইউনুসের
আরও পড়ুন:Trump Vs Zelenskyy: আর নয় আমেরিকার দাদাগিরি! আলাদা করে ‘মুক্ত বিশ্ব’ গড়বে ক্ষুব্ধ ইউরোপ
১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা-পদ্মা জলবণ্টন চুক্তি (Ganga Padma Water Sharing Agreement) ৩০ বছরের জন্য ছিল। ২০২৬ সালে এর মেয়াদ শেষ হবে এবং এর আগে এই চুক্তি পর্যালোচনা ও সংশোধন হতে পারে। বাংলাদেশ (Bangladesh) বারবার অভিযোগ করেছে যে গ্রীষ্মকালীন সময়ে ফারাক্কা ব্যারেজ (Farakka Barrage) থেকে পর্যাপ্ত জল পায় না। তবে ভারত দাবি করে আসছে যে জলপ্রবাহের স্বাভাবিক ওঠানামার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এই সফরে প্রতিনিধি দল (Delegation) বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ফারাক্কা ব্যারেজের (Farakka Barrage) জলপ্রবাহের পরিমাণ ও তার অবস্থার বিষয়ে সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করবেন।
৭ মার্চ কলকাতায় একটি হোটেলে ইন্দো-বাংলাদেশ জয়েন্ট রিভার কমিশনের ৮৬ তম বৈঠক (Meeting) অনুষ্ঠিত হবে। এখানে গঙ্গা-পদ্মা জলবন্টন চুক্তি ছাড়াও ৫৪ টি আন্তঃসীমান্ত নদী, তিস্তা নদী (Teesta River) নিয়েও আলোচনা হবে।
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:https://www.facebook.com/share/1XhiZuM5DK/
এদিকে, বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) পতনের পর, ভারত বাংলাদেশ (Bangladesh) সম্পর্কের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষত, সংখ্যালঘুদের উপর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ভারত বিরোধী মনোভাব এই সময়ে আরও তীব্র হয়েছে। তবে গঙ্গা-পদ্মা জলবন্টন চুক্তি নিয়ে এই বৈঠক শুধু কূটনৈতিক সম্পর্কের (Diplomatic relations) উন্নতির জন্য নয় বরং ভবিষ্যতের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন:Death of Indian Labour in Israel: কেরলের শ্রমিকের মৃত্যু জর্ডন-ইজরায়েল সীমান্তে, কী ঘটেছিল সেই রাতে?
